সফল ডিএনএ ব্যাংক : সিআইডি
- আপডেট টাইম : ১১:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১
- / 29
রংপুরের পীরগঞ্জে ২০১৪ সালের মার্চে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় অন্তঃসত্ত্বা মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ফাতেমাকে। একে আত্মহত্যা বলে চালাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয় দড়িতে। তবে মামলার তদন্তের সময় ভ্রুণের ডিএনএ রেখেছিল সিআইডি।
সেই ডিএনএ বিশ্লেষণে, ২০২০ সালে ডিসেম্বরের জানা যায়, ফাতেমাকে ধর্ষণ করে তার চাচাতো ভাই। বিয়ের চাপ দিলে করা হয় হত্যা। তাই মৌখিক স্বীকারোক্তি থেকে বেরিয়ে ফরেনসিক তথ্যপ্রমাণে মামলা নিস্পত্তিতে কাজ করছে সিআইডি।
এ কাজে এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে ডিএনএ ব্যাংক তৈরি করেছে সিআইডি। ২০২০ সালের ১০ জুন সিআইডি এর ডিএনএ ল্যাবরেটরি নাম পরিবর্তন করে ডিএনএ ব্যাংক নামে কার্যক্রম শুরু করে।
সোহরাওয়াদী হাসপাতালে মর্গে ডোমের বিকৃত যৌনাচার অথবা রংপুরে ছাত্রী হত্যা ও কুর্মিটোলায় ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি শনাক্তে সহায়তা করেছে এ ল্যাব। মামলা তদন্তে এ ল্যাব শতভাগ কার্যকর বলছে সিআইডি।
গত বছরের নভেম্বর সোহরাওয়াদী হাসপাতালের মর্গে আসে ১২ থেকে ২০ বছর বয়সী কিশোরীদের মরদেহ। সুরতহাল প্রতিবেদনে আঘাতের চিহ্ন বা ধর্ষণের আলামত ছিল না। তবে সিআইডির ল্যাবে সব মরদেহের সোয়াব টেস্টে মেলে শুক্রাণু। ডিএনএ পরীক্ষার পর সামনে আসে ডোম মুন্নার বিকৃত যৌনাচারের তথ্য।
কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন মজনুর ডিএনএ টেস্টের পর শনাক্ত হয় অপরাধী।
সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেছেন, এমন মাত্র ২০ ভাগ মামলা ফরেন্সিকের মাধ্যমে এ পর্যন্ত নিষ্পত্তি করেছে তারা। এটি শতভাগে উন্নীত হলে তদন্তের সময় কমবে, ধরা পড়বে প্রকৃত দুষ্কৃতিকারী।
তিনি আরও জানান, তাদের কাছে আসা ৬০ ভাগই ধর্ষণ মামলা, আর ২৫ ভাগ হত্যার।
২০১৪ সালের জানুয়ারিতে আদালতের আদেশক্রমে ল্যাবের ডিএনএ প্রোফাইলিং এর কার্যক্রম শুরু হয়। ‘ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি অব বাংলাদেশ পুলিশ’ এ প্রথম আলামত গ্রহণ করা হয় ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি।
নিউজ লাইট ৭১























