বিএনপি-জামায়াত আর ইসরায়েল হামলার মধ্যে তফাৎ নেই
- আপডেট টাইম : ০৭:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩
- / 25
সম্প্রতি বিএনপির ডাকা সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা হাসপাতালে ঢুকে হামলা করেছে। সেখানেও পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনে হাসপাতালে হামলা করছে, নারী-শিশুদের হত্যা করছে, এর সঙ্গে তো বিএনপি-জামায়াতের হামলার কোনো তফাৎ দেখি না।
বিএনপি-জামায়াতের চলমান আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের যেভাবে শিক্ষা দেয়া যায়, সেটাই আমরা দেবো।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশ নেয়ার অভিজ্ঞতা জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে পালিয়ে গিয়ে এখন বিএনপি অবরোধের ডাক দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২৮ তারিখ (২৮ অক্টোবর) বিএনপি যেসব ঘটনা ঘটালো (পুলিশকে কুপিয়ে মারা, সাংবাদিকদের ওপর হামলা) তাতে জনগনের ধিক্কার ছাড়া কিছুই জুটবে না। ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনের হাসপাতালে হামলা করেছে তার সঙ্গে বিএনপির হামলার কোনো তফাৎ দেখছি না।
তিনি বলেন, জনগণের ধিক্কার ছাড়া বিএনপির আর কিছুই জুটবে না। বিএনপি-জামায়াত জোট এরা যে সন্ত্রাসী এবং বিএনপি যে একটা সন্ত্রাসী দল সেটাই তারা ২৮ অক্টোবর পুনরায় প্রমাণ করলো। কানাডার আদালত কিন্তু এ বিষয়টা কয়েকবার বলেছে। সন্ত্রাসী দল হিসেবে কানাডা তাদেরকে প্রত্যাখান করেছে, তাই আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করেও তারা সেখানে সুযোগ পায়নি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, মাঝখানে কিছুদিন বিএনপি রাজনৈতিকভাবে কর্মসূচি করছিল এবং আপনারা নিশ্চয়ই বিশেষভাবে লক্ষ্য করেছিলেন আমাদের সরকার কিছু তাদের কোনো বাধা দেয়নি। তাদের ওপর একটা শর্ত ছিল, তারা অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুর করবে না।
তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) যখন সুষ্ঠুভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি করছিল তাতে কিন্তু মানুষের একটু আস্থা-বিশ্বাসও তারা ধীরে ধীরে অর্জন করতে শুরু করেছিল। কিন্তু ২৮ তারিখে বিএনপি যেসব ঘটনা ঘটালো, বিশেষ করে যেভাবে পুলিশকে হত্যা করেছে, মাটিতে ফেলে যেভাবে কোপালো, সাংবাদিকদের যেভাবে পেটালো, এ ঘটনার পর জনগণের ধিক্কার ছাড়া বিএনপির আর কিছুই জুটবে না।
এর আগে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের আমন্ত্রণে গত ২৪ অক্টোবর ব্রাসেলসে যান প্রধানমন্ত্রী। সফরকালে সাইডলাইনে ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি বৈঠক করেন। সফর শেষে ২৭ অক্টোবর ঢাকায় ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
নিউজ লাইট ৭১
























