বড়াইগ্রামে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
- আপডেট টাইম : ০২:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
- / 1
নারীর ফাঁদে ফেলে এক যুবককে আটকে রেখে ভিডিও ধারণ, মারধর এবং পরে জিম্মি করে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে নাটোরের বড়াইগ্রামে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফাঁসিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ করে আসছিল।
গত ১৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বনপাড়া টাওয়ার রোড এলাকা থেকে পূর্বপরিচিত শৈবাল চৌধুরী (২২)-কে বিয়ের দাওয়াতের কথা বলে মোটরসাইকেলে করে বনপাড়া সরদারপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান রাসেল হোসেন। সেখানে আগে থেকেই কয়েকজন নারীসহ অন্যরা অবস্থান করছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাড়িতে নেওয়ার পর শৈবালকে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা এক নারীর সঙ্গে তার ভিডিও ধারণ করা হয় এবং তাকে মারধর করা হয়। পরে ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করে তাকে জিম্মি করে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী বড়াইগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) সুমন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বনপাড়া সরদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযানে এজাহারভুক্ত আসামি রাসেল হোসেন (৩৭) ও রহিদুল ইসলাম রোহান (২৮)-কে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে নারীর ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভিডিও ধারণের মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, চক্রটির সঙ্গে আরও কারা জড়িত এবং একই কৌশলে তারা আর কোনো ব্যক্তিকে হয়রানি বা চাঁদাবাজির শিকার করেছে কি না—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় জড়িত অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ মিডিয়া সেল, নাটোর |
সবুজ মাহামুদ/নিউজ লাইট ৭১






















