মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবাকে নিয়ে লিখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • / 135

নিউজ লাইট ৭১: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ লেখা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আগামী ১৭ মার্চ জাতির জনকের জন্মদিন। সেদিন জন্মশতবর্ষের বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালাও শুরু হবে। এ উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন যুগান্তরকে বলেন, শিশুদের বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে ধারণা দিতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ছোটদের প্রতি বঙ্গবন্ধু কেমন ছিলেন, বিশেষ করে শিশুদের সাহচর্য কেমন উপভোগ করতেন এবং শিশুদের নিয়ে জাতির জনকের তার স্বপ্নের কথা এই প্রজন্মকে জানানো দরকার। কন্যা হিসেবে বাবা সম্পর্কে এসব বিষয়ে সবচেয়ে ভালো জানেন প্রধানমন্ত্রী। এ কারণে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে লেখার জন্য অনুরোধ করেছি। আশা করছি, আমরা তার লেখা পাব। শিশুদের কাছে এই লেখা বিশেষ আবেদন তৈরি করবে।

দেশে সরকারি বিদ্যালয় আছে প্রায় ৬৬ হাজার। তবে প্রাথমিক স্তরের পাঠদান হয় এমন ১১ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সোয়া লাখ। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় কোটি শিশু লেখাপড়া করে। মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিশুদের এই লেখা পড়ানোর চিন্তা করছে। পাঠ অনুষ্ঠানটি ১৭ মার্চ দিনের একই সময়ে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হবে।

সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন যুগান্তরকে বলেন, জাতির পিতার জীবন ও সংগ্রামের কথা ভবিষ্যতের কর্ণধার হিসেবে আজকের শিশুদের জানা জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর লেখনীতে তা শিশুরা জানতে পারলে তাদের দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনা আরও বিকশিত হবে। কেননা আজকের শিশুরাই ২০৪১ ত্রিশোর্ধ্ব টগবগে যুবক হবে। তাই তারা যেন উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর হতে পারে, সেজন্য তাদের উজ্জীবিত করা জরুরি।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালা আয়োজনের পাশাপাশি উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ওইসব কর্মসূচির সূচনা হবে জাতির জনকের ওপর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ লেখা পাঠের মাধ্যমে। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে আছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীকে শুদ্ধভাবে বাংলা ও ইংরেজি পড়ার দক্ষতাসম্পন্ন করা; ‘ওয়ান ডে, ওয়ান ওয়ার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে বছরে ৩৬৫টি ইংরেজি-বাংলা শব্দ শেখা; প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে শিক্ষাসহায়ক উপকরণ হিসেবে স্কুল ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ কেনার জন্য ৫০০ টাকা করে দেয়া; উপবৃত্তি প্রতি মাসে ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করা ইত্যাদি।

Tag :

শেয়ার করুন

বাবাকে নিয়ে লিখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ

আপডেট টাইম : ০৯:০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নিউজ লাইট ৭১: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ লেখা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আগামী ১৭ মার্চ জাতির জনকের জন্মদিন। সেদিন জন্মশতবর্ষের বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালাও শুরু হবে। এ উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন যুগান্তরকে বলেন, শিশুদের বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে ধারণা দিতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ছোটদের প্রতি বঙ্গবন্ধু কেমন ছিলেন, বিশেষ করে শিশুদের সাহচর্য কেমন উপভোগ করতেন এবং শিশুদের নিয়ে জাতির জনকের তার স্বপ্নের কথা এই প্রজন্মকে জানানো দরকার। কন্যা হিসেবে বাবা সম্পর্কে এসব বিষয়ে সবচেয়ে ভালো জানেন প্রধানমন্ত্রী। এ কারণে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে লেখার জন্য অনুরোধ করেছি। আশা করছি, আমরা তার লেখা পাব। শিশুদের কাছে এই লেখা বিশেষ আবেদন তৈরি করবে।

দেশে সরকারি বিদ্যালয় আছে প্রায় ৬৬ হাজার। তবে প্রাথমিক স্তরের পাঠদান হয় এমন ১১ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সোয়া লাখ। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় কোটি শিশু লেখাপড়া করে। মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিশুদের এই লেখা পড়ানোর চিন্তা করছে। পাঠ অনুষ্ঠানটি ১৭ মার্চ দিনের একই সময়ে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হবে।

সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন যুগান্তরকে বলেন, জাতির পিতার জীবন ও সংগ্রামের কথা ভবিষ্যতের কর্ণধার হিসেবে আজকের শিশুদের জানা জরুরি। প্রধানমন্ত্রীর লেখনীতে তা শিশুরা জানতে পারলে তাদের দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনা আরও বিকশিত হবে। কেননা আজকের শিশুরাই ২০৪১ ত্রিশোর্ধ্ব টগবগে যুবক হবে। তাই তারা যেন উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর হতে পারে, সেজন্য তাদের উজ্জীবিত করা জরুরি।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালা আয়োজনের পাশাপাশি উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ওইসব কর্মসূচির সূচনা হবে জাতির জনকের ওপর প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ লেখা পাঠের মাধ্যমে। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে আছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীকে শুদ্ধভাবে বাংলা ও ইংরেজি পড়ার দক্ষতাসম্পন্ন করা; ‘ওয়ান ডে, ওয়ান ওয়ার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে বছরে ৩৬৫টি ইংরেজি-বাংলা শব্দ শেখা; প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে শিক্ষাসহায়ক উপকরণ হিসেবে স্কুল ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ কেনার জন্য ৫০০ টাকা করে দেয়া; উপবৃত্তি প্রতি মাসে ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করা ইত্যাদি।