১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও বসন্তবরণ উৎসব
- আপডেট টাইম : ০৯:০০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২০
- / 252
নিউজ লাইট ৭১: সামনে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও বসন্তবরণ উৎসব। হলুদ, লাল আর সবুজ কম্বিনেশনের শাড়ী পড়ে উৎসবে অংশ নিবেন মেয়েরা। পড়নে শাড়ি আর চুলে ফুল না থাকলে কি হয়। কানে বা চুলে একটু ফুল গুজে না দিলে তাদের এই সাজগোজ যেন ঠিক সম্পন্ন হয়না। এজন্য কিনতে হবে ফুল। আবার সামনে আছে ২১ ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। সবমিলিয়ে ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীদের মহা আনন্দের সময় এখন।
দিবসগুলোতে ফুলের চাহিদা ব্যাপক। তাই ফুলের বাণিজ্যিক সরবরাহ বেড়েছে ইতোমধ্যেই। সঙ্গে বেড়েছে ব্যস্ততাও। বিশেষ দিবসকে মাথায় রেখে প্রিয়জনকে উপহার দিতেও অনেকে ফুল কিনবেন। সবকিছু মিলে ফুলের বাজারে হৈচৈ সৃষ্টি করে দিয়েছে সবখানে।
বড় ধরনের এই চাহিদা মেটাতে সাভারের বিরুলিয়ার ফুলচাষি এবং ব্যবসায়ীরাও বসে নেই। সকাল-সন্ধ্যা কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে।
দিবসগুলো আসতে আর হাতেগোনা কয়েকদিন বাকি থাকায় এখানের ফুলচাষিরা বাগানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবার সন্ধ্যা নামলেই চাষিদের সঙ্গে ব্যবসায়ীরা রীতিমত হৈচৈ ফেলে দিচ্ছেন ফুলের বাজারে।
সারাদিন গোলাপ বাগান থেকে ফুল তোলা শেষে সন্ধ্যার দিকে চাষিরা ঝাঁকি ভর্তি করে ফুল নিয়ে মোস্তাপাড়া ও স্যামপুর ফুল বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন। আর পাইকাররা বিকেল থেকে ফুল মার্কেটে আসা শুরু করেন। বেচা-বিক্রি শুরু হয় সন্ধ্যার পর থেকে। চাষিরা নিজ নিজ ফুলের দাম ধরছেন আর পাইকাররা তা টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছরে এ অঞ্চলের ফুলচাষিরা কমপক্ষে দুই থেকে তিন কোটি টাকার ফুল বিক্রির টার্গেট করেছেন তারা। প্রতি পিস গোলাপ ফুল ১০ থেকে ১৫ টাকা ও মাম ফুল পাঁচ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া জিপসি ফুল ৫০০ টাকা আঁটি, ১০০ গ্লাডিওলাস রঙভেদে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা, এক আঁটি কেলেন্ডার ৭০০ টাকা, জারবেরা ২০ থেকে ২৫ টাকা পিস করে বিক্রি হচ্ছে।
মোস্তাপাড়া ফুল বাজার দেখাশোনা করেন ইমরান। তার সঙ্গে কথা হলে বলেন, সামনে তিনটি দিবস। এ সময় আমাদের বাজারে ফুলে ভরপুর থাকে। বাজারে ফুলের ঝাঁকির জন্য মানুষ ঢুকতে পারে না। তবে এবার ফুল একটু কম। তবে আরও দুইদিন আছে সামনে। দেখা যাক। ভালো বেচা-কেনা হবে আশা।
গোলাপ ফুলের পাইকারি ব্যবসায়ী মো. আলমগীর বলেন, তিন দিবস উপলক্ষে ফুলের চাহিদা ব্যাপক। আগামী দুই দিন আরও বিক্রি হবে। শীতের কারণে ফুলের উৎপাদন কম হওয়ায় দাম চড়া যাচ্ছে।
সাভার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজিয়াত আহম্মেদ বলেন, এবার গোলাপ ফুলে কোনো রকম পোকামাকড় আক্রমণ করেনি। তাই চাষিরা বেশ বিক্রি করতে পারছেন। দামও পাচ্ছেন ভালো।

















