বিভিন্ন দেশে ফুটপাত থেকে পুরনো কাপড় কম দামে বিক্রি হয়
- আপডেট টাইম : ০৯:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
- / 170
নিউজ লাইট ৭১: বিশ্বের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবাণু। অথচ কী ভয়ংকর এর ক্ষমতা।বিভিন্ন দেশে ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন মার্কেটে পুরনো কাপড় কম দামে বিক্রি হয়। দাম তুলনামূলক অনেকটা কম হওয়ার কারণে এসব পোশাকের ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি। তবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর এসব কাপড় ক্রয় করার ব্যাপারে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরনো কাপড়ে সমস্যা সব সময়ই থাকে। আগে যে ব্যক্তি সেই পোশাক পরেছেন, তার নানা ধরনের অসুখ থাকার শঙ্কা থাকে। এমনকি ভালোভাবে পোশাকটি ধোয়ার পরেও ঝুঁকি থাকে।
তারা আরো বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির বিক্রি করা পোশাক যদি হাত ঘুরে অন্য কারো কাছে যায়, তাহলেও বিপদ। কারণ, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই লক্ষণ প্রকাশ পায় না। সেজন্য এই পরিস্থিতিতে পুরনো পোশাক এবং চীন থেকে আমদানি করা পোশাক আপাতত না কেনা ভালো।
এদিকে, চীনে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ২০০২ সালে সার্স এবং ২০১২ সালের মার্সের মতই এ নভেল করোনাভাইরাস একই পরিবারের সদস্য, যারা ছড়াতে পারে মানুষ থেকে মানুষে।
মধ্য চীনের উহান শহরে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়। নিউমোনিয়ার মত লক্ষণ নিয়ে নতুন এ রোগ ছড়াতে দেখে চীনা কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
ঠিক কীভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়েছিল- সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। তবে তাদের ধারণা, মানুষের দেহে এ রোগ এসেছে কোনো প্রাণী থেকে। তারপর মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়েছে।
এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর মতই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।
করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। লক্ষণগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপাইরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।
মানুষের দেহে ভাইরাস সংক্রমণের পর লক্ষণ দেখা দিতে পারে এক থেকে ১৪ দিনের মধ্যে। কিন্তু লক্ষণ স্পষ্ট হওয়ার আগেই এ ভাইরাস ছড়াতে পারে মানুষ থেকে মানুষে। আর এ কারণেই চীনে এ রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

















