বাসে ডাকাতি-গণধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও ২
- আপডেট টাইম : ০৬:০০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২
- / 21
টাঙ্গাইলে বাসে ডাকাতি ও এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগে এ ঘটনায় জড়িত রাজা মিয়াকে (৩২) বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ নিয়ে এখন পর্যন্ত এ ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাসস্ট্যান্ড এবং সোহাগ পল্লী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার হওয়া রাজা মিয়ার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা ধর্ষণের ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে একটি বাস অন্তত ২৪ জন যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়। পরে রাত ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের একটি হোটেলে খাবারের জন্য বিরতি দেয়া হয়। সেখান থেকে ৫ মিনিট যাওয়ার পর মূল সড়ক থেকে প্রথমে ৩ জন যাত্রী ওঠে। কিছু দূর যাওয়ার পর আরও ৪ জন যাত্রী ওঠে। নির্ধারিত স্টেশন ছাড়া কিছু দূর যাওয়ার পর আরও ৩ জন যাত্রী সেজে বাসে ওঠে। আনুমানিক রাত ১২টার দিকে যাত্রীরা ঘুমানোর এক পর্যায়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া এলাকা পৌঁছালে ডাকাত দলের সদস্যরা হঠাৎ করে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুরোবাসের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
টাঙ্গাইলের গোড়াই এলাকায় থেকে বাসটিকে ঘুরিয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা কালিহাতী হয়ে মধুপুরে আসে। এরই মধ্যে ডাকাত দলের সদস্যরা সবার হাত-মুখ ও চোখ বেঁধে জিম্মি করে। এরপর যাত্রীদের কাছে থাকা মোবাইল, টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। পরে ডাকাত দলের সদস্যরা গাড়িতে থাকা এক নারীকে ধর্ষণ করে।
রাত সাড়ে ৩টার দিকে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালুর ঢিবির কাছে বাসের গতি থামিয়ে পালিয়ে যায় তারা। এ ব্যাপারে যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার হেকমত নামে ঐ বাসের যাত্রী বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলটি দায়ের করেন।
নিউজ লাইট ৭১























