বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেড়িবাঁধ এখন কাঁঠালের রাজ্য

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২
  • / 59

ছবি: বাসস

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারের গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ যেন এখন কাঁঠালের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। ডানে কাঠাল, বামে কাঠাল, ওপরেও কাঁঠাল। চারদিকে যেন কাঠালের ছড়াছড়ি।

বেড়িবাঁধ ঘেঁষা গ্রাম সদর উপজেলার পালপাড়া, বুড়িচংয়ের ষোলনল, শিমাইল খাড়া, বালিখাড়া, ধামতী, রামনগর, হুরহুড়া, কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দু’পাশের ঢালু জায়গায় শত-শত কাঁঠাল গাছ।

প্রতিটি গাছেই ঝুলছে কাঠাল। কোনো-কোনো গাছে ৫০টি, কোনোটিতে ৩০টির আবার কোনো গাছে ধরে রয়েছে ১০ বা তার কমবেশি কাঁঠাল।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোমতী নদীর বেড়িবাঁধজুড়ে সারি-সারি কাঠাল গাছ। সেই গাছে থরে-থরে ঝুলছে কাঁঠাল। গাছের গোড়া থেকে মগডাল পর্যন্ত ঝুলে আছে কাঠাল। গালা ও খাজা দুই জাতের কাঠালই পাওয়া যায় এখানে। তবে শুধু কাঁঠালই নয়, গ্রীষ্মে তাল, আম, পেঁপেসহ নানা ফলের সমাহার ঘটেছে এ এলাকায়।

জানা যায়, কাঁঠালসহ মৌসুমি বিভিন্ন ফল এখন নগরীর বাজারসমূহে বিক্রি হচ্ছে। খেতে সুস্বাদু ও টাটকা এসব ফলের চাহিদা বাজারে রয়েছে প্রচুর।

শিমাইলখাড়া গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার ১৭টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। প্রচুর কাঁঠাল ধরে গাছগুলোতে। আমরা কিছু কাঠাল বিক্রি করি, কিছু খাই ও কিছু মানুষকে বিলিয়ে দেই।

ষোলনল গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, এবার কাঁঠাল বেশি ধরলেও তেমন একটা বড় হয়নি। বৃষ্টিপাত কম হলে এমন সমস্যা হয়। তবে ফলন ভালো হয়েছে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক ড. মিজানুর রহমান জানান, কুমিল্লার সব উপজেলাতেই কাঁঠালের আবাদ হয়। এর মধ্যে বেশি আবাদ হয় লালমাই পাহাড় ও গোমতীর বেড়িবাঁধে। কুমিল্লার কাঁঠাল দেরিতে পাকে, তাই প্রথমদিকে কিছু কাঁঠাল বাইরের জেলা থেকে আসে। কুমিল্লায় যে পরিমাণ কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, তা জেলার চাহিদা মেটাতে সক্ষম।

সূত্র: বাসস।

নিউজ লাইট ৭১

 

facebook sharing button
twitter sharing button
Tag :

শেয়ার করুন

বেড়িবাঁধ এখন কাঁঠালের রাজ্য

আপডেট টাইম : ০৩:৫০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২

কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারের গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ যেন এখন কাঁঠালের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। ডানে কাঠাল, বামে কাঠাল, ওপরেও কাঁঠাল। চারদিকে যেন কাঠালের ছড়াছড়ি।

বেড়িবাঁধ ঘেঁষা গ্রাম সদর উপজেলার পালপাড়া, বুড়িচংয়ের ষোলনল, শিমাইল খাড়া, বালিখাড়া, ধামতী, রামনগর, হুরহুড়া, কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দু’পাশের ঢালু জায়গায় শত-শত কাঁঠাল গাছ।

প্রতিটি গাছেই ঝুলছে কাঠাল। কোনো-কোনো গাছে ৫০টি, কোনোটিতে ৩০টির আবার কোনো গাছে ধরে রয়েছে ১০ বা তার কমবেশি কাঁঠাল।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোমতী নদীর বেড়িবাঁধজুড়ে সারি-সারি কাঠাল গাছ। সেই গাছে থরে-থরে ঝুলছে কাঁঠাল। গাছের গোড়া থেকে মগডাল পর্যন্ত ঝুলে আছে কাঠাল। গালা ও খাজা দুই জাতের কাঠালই পাওয়া যায় এখানে। তবে শুধু কাঁঠালই নয়, গ্রীষ্মে তাল, আম, পেঁপেসহ নানা ফলের সমাহার ঘটেছে এ এলাকায়।

জানা যায়, কাঁঠালসহ মৌসুমি বিভিন্ন ফল এখন নগরীর বাজারসমূহে বিক্রি হচ্ছে। খেতে সুস্বাদু ও টাটকা এসব ফলের চাহিদা বাজারে রয়েছে প্রচুর।

শিমাইলখাড়া গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার ১৭টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। প্রচুর কাঁঠাল ধরে গাছগুলোতে। আমরা কিছু কাঠাল বিক্রি করি, কিছু খাই ও কিছু মানুষকে বিলিয়ে দেই।

ষোলনল গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, এবার কাঁঠাল বেশি ধরলেও তেমন একটা বড় হয়নি। বৃষ্টিপাত কম হলে এমন সমস্যা হয়। তবে ফলন ভালো হয়েছে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক ড. মিজানুর রহমান জানান, কুমিল্লার সব উপজেলাতেই কাঁঠালের আবাদ হয়। এর মধ্যে বেশি আবাদ হয় লালমাই পাহাড় ও গোমতীর বেড়িবাঁধে। কুমিল্লার কাঁঠাল দেরিতে পাকে, তাই প্রথমদিকে কিছু কাঁঠাল বাইরের জেলা থেকে আসে। কুমিল্লায় যে পরিমাণ কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, তা জেলার চাহিদা মেটাতে সক্ষম।

সূত্র: বাসস।

নিউজ লাইট ৭১

 

facebook sharing button
twitter sharing button