রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ দিন কোয়ারেন্টিন থাকলেই হবে

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২২
  • / 19

ছবি: সংগৃহীত

প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হলে এখন থেকে ১৪ দিনের পরিবর্তে ১০ দিন কোয়ারেন্টিন থাকলেই হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে করোনা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন।

নাজমুল ইসলাম বলেন, জ্বর ভালো হয়ে গেলে, উপসর্গগুলো চলে গেলে ১০ দিন পরে তিনি আবার কাজে ফিরে যাবেন। আগে শর্ত হিসেবে আরটি-পিসিআর সনদ নিয়ে যেতে হতো, সেটি আপাতত আমরা স্থগিত রাখছি।

তিনি বলেন, সবাই ওমিক্রনের উপসর্গ নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছে। এর উপসর্গগুলো হলো- নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথা ব্যথা, অবসন্নতা, হাঁচি, গলা ব্যথা ও কাশি। এই বিষয়গুলো কারও থাকলে পরীক্ষা করাতে হবে। ঠাণ্ডা লেগে কারও গলা ভেঙে গেছে বা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে, সেসব ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, ওমিক্রনকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। ওমিক্রনের কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েই চলেছে। সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু অনেক অভিভাবক প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে না মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সন্তানদের নিয়ে যাচ্ছেন, যা খুবই দুঃখজনক। সে কারণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

১০ দিন কোয়ারেন্টিন থাকলেই হবে

আপডেট টাইম : ০৪:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২২

প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হলে এখন থেকে ১৪ দিনের পরিবর্তে ১০ দিন কোয়ারেন্টিন থাকলেই হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে করোনা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন।

নাজমুল ইসলাম বলেন, জ্বর ভালো হয়ে গেলে, উপসর্গগুলো চলে গেলে ১০ দিন পরে তিনি আবার কাজে ফিরে যাবেন। আগে শর্ত হিসেবে আরটি-পিসিআর সনদ নিয়ে যেতে হতো, সেটি আপাতত আমরা স্থগিত রাখছি।

তিনি বলেন, সবাই ওমিক্রনের উপসর্গ নিয়ে আলাপ-আলোচনা করছে। এর উপসর্গগুলো হলো- নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথা ব্যথা, অবসন্নতা, হাঁচি, গলা ব্যথা ও কাশি। এই বিষয়গুলো কারও থাকলে পরীক্ষা করাতে হবে। ঠাণ্ডা লেগে কারও গলা ভেঙে গেছে বা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে, সেসব ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, ওমিক্রনকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। ওমিক্রনের কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েই চলেছে। সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু অনেক অভিভাবক প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে না মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সন্তানদের নিয়ে যাচ্ছেন, যা খুবই দুঃখজনক। সে কারণে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।

নিউজ লাইট ৭১