পুলিশ সদস্য চাকরি হারিয়ে এখন চোরচক্রের হোতা
- আপডেট টাইম : ০৪:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
- / 59
পুলিশে চাকরি করতেন মো. মামুন উর রশিদ। পুলিশে থাকাকালে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে চাকরিচ্যুত হন। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন ধরনের অপরাধে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে চোরাই মোটরসাইকেল কিনে বিক্রি করতেন চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন স্থানে। শুধু তাই নয়, মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় করার সময় প্রত্যেকটি চোরাই মোটরসাইকেলের সামনে পুলিশ স্টিকার ব্যবহার করতেন।
মঙ্গলবার ভোরে ইপিজেডের আলী শাহ পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার স্ত্রী আকলিমা বেগমকেসহ আটক করেছে র্যাব। ওই এলাকাতেই থাকতেন তারা। এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার। তিনি জানান, চোরাই মোটরসাইকেলে পুলিশের স্টিকার লাগিয়ে কেনা-বেচার উদ্দেশে ইপিজেড এলাকায় অবস্থান করছিল একটি চক্র। খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোররাতে ওই এলাকায় অভিযানে যায় র্যাব। এ সময় মামুন ও তার স্ত্রী আকলিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, মামুন উর রশিদ পুলিশে চাকরি করতেন। পুলিশে কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে চাকরিচ্যুত হন। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন ধরনের অপরাধে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। তিনি চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় চক্র পরিচালনা করতেন। পুলিশে চাকরির সুবাদে তার পরিচালিত চক্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় করার সময় প্রত্যেকটি চোরাই মোটরসাইকেলের সামনে পুলিশ স্টিকার ব্যবহার করতেন তিনি।
র্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের সাথে প্রত্যক্ষভাবে তার স্ত্রী আকলিমা বেগম সহায়তা করেন। এছাড়া রাউজানের অভি এবং হালিশহর এলাকার অনিক তার চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের অন্যতম সদস্য। তাদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয় করে বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তর করে মামুন। জব্দ করা চোরাই মোটরসাইকেলটিও তার সহযোগী অনিকের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। তার পরিচালিত চক্রের মাধ্যমে সংগ্রহ করা চোরাই মোটরসাইকেলগুলো অভির মাধ্যমে কাস্টমসের নকল কাগজপত্র তৈরি করে বিক্রি করা হয়।
নিউজ লাইট ৭১





















