স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক সন্দেহে খুন
- আপডেট টাইম : ১২:৫৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১
- / 76
নিজের স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের সন্দেহে আবু তাহের (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা করা হয়েছে চট্টগ্রামে। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আবদুল জলিলকে (৪০) নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। নিহত আবু তাহের কর্ণফুলী ইপিজেডের এইচকেডি গার্মেন্টেসে সিকিউরিটি সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোর সন্দেহে তাহেরকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন জলিল ও তার কয়েকজন বন্ধু। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তাহের।
শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর কিল্লারহাটে অভিযান চালিয়ে জলিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া আবদুল জলিল পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া থানার ফকিরপাড়ার মৃত তহির উদ্দীনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, আবদুল জলিল পেশায় মুড়ি ও চানাচুর বিক্রেতা। স্ত্রী আর এক ছেলেকে নিয়ে তিনি থাকেন নগরের পতেঙ্গা এলাকায় এক ভাড়া বাসায়। তার পাশের আরেক বাসায় থাকতেন পোশাক কারখানার সিকিউরিটি সুপারভাইজার আবু তাহের।
গত বুধবার জলিল তার বাসায় গেলে সন্তানকে নিয়ে বেরিয়ে যান স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয় জলিলের। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কয়েকজনকে নিয়ে প্রতিবেশী আবু তাহেরকে বাসা থেকে ডেকে বের করেন জলিল।
জলিলের অভিযোগ, তার স্ত্রী ও সন্তানকে আবু তাহের লুকিয়ে রেখেছেন। তাহের কিছু জানেন না বললে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এসময় তাহেরকে কিলঘুষি মারতে থাকেন জলিল ও তার সহযোগীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে মারা যান তাহের।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, আবু তাহেরের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আব্দুল জলিল পালিয়ে যায়। ঘটনার পর আবু তাহেরের মেয়ে রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে পতেঙ্গা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোয়াখালীর কিল্লারহাট এলাকা থেকে আব্দুল জলিলকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনায় জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
নিউজ লাইট ৭১






















