রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯৯৯ এ কল

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৮:১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১
  • / 34

৯৯৯ এ কল, নৌ পুলিশ কর্তৃক মেঘনা নদীতে বিকল হওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ হতে প্রায় ৩৫০ জন যাত্রী উদ্ধার।

প্রতিদিনের মত প্রায় ৩৫০ জন যাত্রী নিয়ে গত শনিবার এমভি ফারহান-৬ নামের লঞ্চটি ভোলা জেলার বেতুয়া হতে যাত্রা শুরু করে। যাত্রার শুরুতে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু মেঘনা নদীর তীব্র স্রোতের মধ্যে লঞ্চটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায় এবং নদীতে লঞ্চটি ভাসতে থাকে।

প্রাণপন চেষ্টা করেও লঞ্চের ইঞ্জিন চালু করতে না পারায় যাত্রীদের মধ্যে এক অজানা শঙ্কা কাজ করতে থাকে। তাদের আশেপাশে সাহায্য করার মতো কোন নৌকা বা ট্রলার ছিলো না। এর মধ্যে লঞ্চে থাকা একজন যাত্রী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করে সাহায্য চায়।

৯৯৯, কালীগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি অবহিত করলে, কালীগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিঃ) সুরুজ আল মামুন, তাৎক্ষনিক ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে নৌ পুলিশ সদস্যরা মেঘনা নদীর মধ্যে ভাসমান অবস্থায় একটি লঞ্চ দেখতে পায়। তারা দ্রুত লঞ্চটির কাছে পৌঁছায় এবং লঞ্চে থাকা প্রায় ৩৫০ জন যাত্রী উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে, নৌ পুলিশ অপর একটি লঞ্চ টিপু-১২ এর মাধ্যমে উদ্ধারকৃত যাত্রীদের নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে।

নৌপথে যাত্রী সাধারনের সেবায় নৌ পুলিশের প্রচেষ্টা সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করে। লঞ্চে অবস্থানরত সকল যাত্রী বিপদে সাহায্য করার জন্য নৌ পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

৯৯৯ এ কল

আপডেট টাইম : ০৮:১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২১

৯৯৯ এ কল, নৌ পুলিশ কর্তৃক মেঘনা নদীতে বিকল হওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ হতে প্রায় ৩৫০ জন যাত্রী উদ্ধার।

প্রতিদিনের মত প্রায় ৩৫০ জন যাত্রী নিয়ে গত শনিবার এমভি ফারহান-৬ নামের লঞ্চটি ভোলা জেলার বেতুয়া হতে যাত্রা শুরু করে। যাত্রার শুরুতে সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু মেঘনা নদীর তীব্র স্রোতের মধ্যে লঞ্চটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায় এবং নদীতে লঞ্চটি ভাসতে থাকে।

প্রাণপন চেষ্টা করেও লঞ্চের ইঞ্জিন চালু করতে না পারায় যাত্রীদের মধ্যে এক অজানা শঙ্কা কাজ করতে থাকে। তাদের আশেপাশে সাহায্য করার মতো কোন নৌকা বা ট্রলার ছিলো না। এর মধ্যে লঞ্চে থাকা একজন যাত্রী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করে সাহায্য চায়।

৯৯৯, কালীগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি অবহিত করলে, কালীগঞ্জ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিঃ) সুরুজ আল মামুন, তাৎক্ষনিক ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে নৌ পুলিশ সদস্যরা মেঘনা নদীর মধ্যে ভাসমান অবস্থায় একটি লঞ্চ দেখতে পায়। তারা দ্রুত লঞ্চটির কাছে পৌঁছায় এবং লঞ্চে থাকা প্রায় ৩৫০ জন যাত্রী উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে, নৌ পুলিশ অপর একটি লঞ্চ টিপু-১২ এর মাধ্যমে উদ্ধারকৃত যাত্রীদের নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে।

নৌপথে যাত্রী সাধারনের সেবায় নৌ পুলিশের প্রচেষ্টা সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করে। লঞ্চে অবস্থানরত সকল যাত্রী বিপদে সাহায্য করার জন্য নৌ পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

নিউজ লাইট ৭১