মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১
  • / 105

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চাচই গ্রামের ১৯ বছরের এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর  উপজেলার চাচই গ্রামের শিকদার মাহবুর রশিদ বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গিলাতলার গ্রামের কিবরিয়া মোল্যার ছেলে আমিনুর মোল্ল্যা একই কোচিং সেন্টারে পড়াশুনা করার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। সেই থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। 

মেয়ের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আসামি আমিনুর ওই তরুণীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গোপনে মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায় বিয়েরও প্রস্তাব দেয়। আসামি আমিনুর ২৯ মে  মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেয়েকে বিয়ের কথা বলে দুপুরে তার বাড়িতে আসতে বলে। মেয়েটি তার বাড়িতে আসলে আমিনুর সুকৌশালে মেয়েটিকে তার শয়নকক্ষে নিয়ে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। 

তখনই ওই কিশোরী ধর্ষণে প্রতিবাদ করলে আসামি আমিনুর তাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়ার পর হতে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং বিয়ের কথা বললে কালক্ষেপণ করতে থাকে। 

ওই তরুণী আমিনুরের ছলচাতুরী বুঝতে পেরে ১৭ জুন আমিনুরের কাছ থেকে ফিরে এসে সকল ঘটনা তার মা ও পরিবারের লোকেদের জানায়। এই ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় ১৮ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ তৌফিক হাসান জানান, মামলা দায়েরের ২ ঘন্টার মধ্য অভিযান পরিচালনা করে আসামি আমিনুরকে গিলাতলা থেকে গ্রেপ্তার করেছি। 

লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু হেনা মিলন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ

আপডেট টাইম : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চাচই গ্রামের ১৯ বছরের এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর  উপজেলার চাচই গ্রামের শিকদার মাহবুর রশিদ বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গিলাতলার গ্রামের কিবরিয়া মোল্যার ছেলে আমিনুর মোল্ল্যা একই কোচিং সেন্টারে পড়াশুনা করার সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। সেই থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। 

মেয়ের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আসামি আমিনুর ওই তরুণীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গোপনে মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায় বিয়েরও প্রস্তাব দেয়। আসামি আমিনুর ২৯ মে  মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেয়েকে বিয়ের কথা বলে দুপুরে তার বাড়িতে আসতে বলে। মেয়েটি তার বাড়িতে আসলে আমিনুর সুকৌশালে মেয়েটিকে তার শয়নকক্ষে নিয়ে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। 

তখনই ওই কিশোরী ধর্ষণে প্রতিবাদ করলে আসামি আমিনুর তাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়ার পর হতে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং বিয়ের কথা বললে কালক্ষেপণ করতে থাকে। 

ওই তরুণী আমিনুরের ছলচাতুরী বুঝতে পেরে ১৭ জুন আমিনুরের কাছ থেকে ফিরে এসে সকল ঘটনা তার মা ও পরিবারের লোকেদের জানায়। এই ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় ১৮ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ তৌফিক হাসান জানান, মামলা দায়েরের ২ ঘন্টার মধ্য অভিযান পরিচালনা করে আসামি আমিনুরকে গিলাতলা থেকে গ্রেপ্তার করেছি। 

লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু হেনা মিলন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

নিউজ লাইট ৭১