মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ মণ ভেজাল গুড় ধ্বংস ও তিনজকে জরিমানা

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১
  • / 123

মানিকগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ মণ ভেজাল গুড় ধ্বংস ও তিনজকে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৫.৩০ হতে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভেজাল বিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, রাজশাহী থেকে আনা বাসি ঝোলার সাথে বিভিন্ন অনুপাতে চিনি ও চুন মিশিয়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ মণ খেজুরের গুড় তৈরি করে আসছে কিছু অসাধু মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ২০ থেকে ৩০ লিটার রসে ৫০ কেজি চিনি মিশিয়ে ৬০ থেকে ৭০ কেজি গুড়ও তৈরি করেছে।

তিনি আরো জানান, ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে হরিরামপুরের হাপানিয়া গ্রামের শিমুলকে ৪ হাজার টাকা, রমজান আলীকে ১০ হাজার টাকা এবং গোপীনাথপুর মজমপাড়া গ্রামের একজনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং সেই সাথে ভেজালভাবে তৈরিকৃত প্রায় ১০ মণ ভেজাল খেজুরের গুড় ধ্বংস করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ভেজাল খেজুরের গুড় প্রস্তুত করবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন ভেজালকারীরা।

অভিযানে হরিরামপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ নজরুল ইসলামসহ আনসার ব্যাটিলিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন ।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

১০ মণ ভেজাল গুড় ধ্বংস ও তিনজকে জরিমানা

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারী ২০২১

মানিকগঞ্জে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ মণ ভেজাল গুড় ধ্বংস ও তিনজকে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৫.৩০ হতে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভেজাল বিরোধী এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, রাজশাহী থেকে আনা বাসি ঝোলার সাথে বিভিন্ন অনুপাতে চিনি ও চুন মিশিয়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ মণ খেজুরের গুড় তৈরি করে আসছে কিছু অসাধু মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। এছাড়া ২০ থেকে ৩০ লিটার রসে ৫০ কেজি চিনি মিশিয়ে ৬০ থেকে ৭০ কেজি গুড়ও তৈরি করেছে।

তিনি আরো জানান, ভেজাল গুড় তৈরির দায়ে হরিরামপুরের হাপানিয়া গ্রামের শিমুলকে ৪ হাজার টাকা, রমজান আলীকে ১০ হাজার টাকা এবং গোপীনাথপুর মজমপাড়া গ্রামের একজনকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং সেই সাথে ভেজালভাবে তৈরিকৃত প্রায় ১০ মণ ভেজাল খেজুরের গুড় ধ্বংস করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ভেজাল খেজুরের গুড় প্রস্তুত করবে না মর্মে মুচলেকা দিয়েছেন ভেজালকারীরা।

অভিযানে হরিরামপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ নজরুল ইসলামসহ আনসার ব্যাটিলিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন ।

নিউজ লাইট ৭১