মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের শিকার হয় ত্রিশোর্ধ এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০
  • / 146

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামের কাটাখালি এলাকার একটি মনিহারি দোকানে ধর্ষণের শিকার হয় ত্রিশোর্ধ এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐ নারী আংশিক মানসিক প্রতিবন্ধী। সে শনিবার সকাল থেকে রাজগাতি ইউনিয়নের কালিগঞ্জ-তাড়াইল সড়কের কাটাখালি এলাকায় একা ঘুরাফেরা করছিল। এ সময় একই এলাকার মো. আব্দুর রশিদের পুত্র মনিহারি দোকানদার মো. উজ্জ্বল মিয়া (৪০) ওই নারীকে ডেকে তার দোকানে প্রবেশ করিয়ে দোকান বন্ধ করে দেয়। পরে তাকে একশত টাকার লোভ দেখিয়ে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই নারী চিৎকার দিলে লোকজন ছুটে আসতে দেখে উজ্জ্বল মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে জনতার ধাওয়া খেয়ে ধর্ষক পালিয়ে গেলেও ওই নারী দায়িত্ব নেয়নি কেউ। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. রুকন উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশকে পাঠিয়ে ওই নারীকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে অনেকেই নারীটিকে খারাপ অপবাদ দিয়ে থানা নিতে বাধা দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে ধর্ষণের ঘটনা শুনে ও পারিপার্শ্বিক তদন্ত করে সত্যতা পেলেও ধর্ষণের শিকার নারীর পরিবার অজ্ঞাত কারণে থানায় যেতে চায়নি। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার দাবি করা হলেও তা করা সম্ভব হয়নি। পরে লিখিত নিয়ে ওই নারীর বোনের কাছে তুলে দেই। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে তিনি থানায় যেতে চাইলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মত পাল্টিয়ে ফেলেন। 

ধর্ষণের শিকার নারীর বোন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আমার বোন পাগল। থানায় গিয়া কিতা আইবো। এইহানই বিচার করুইন। 

এখানে তো আমরা বিচার করতে পারব না- চেয়ারম্যান এমন কথা বললে ওই নারীর বোন বলেন, তাঅইলে আমার বোন আমার কাছে দেইন। বাড়িত লইয়া যাইয়গা। 

নান্দাইল থানার ওসি বলেন, আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। তারপরও ওই নারী যদি থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেন তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেব।

নিউজ লাইট ৭১  

Tag :

শেয়ার করুন

ধর্ষণের শিকার হয় ত্রিশোর্ধ এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী

আপডেট টাইম : ০৫:৫১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের কাশিনগর গ্রামের কাটাখালি এলাকার একটি মনিহারি দোকানে ধর্ষণের শিকার হয় ত্রিশোর্ধ এক স্বামী পরিত্যক্তা নারী। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঐ নারী আংশিক মানসিক প্রতিবন্ধী। সে শনিবার সকাল থেকে রাজগাতি ইউনিয়নের কালিগঞ্জ-তাড়াইল সড়কের কাটাখালি এলাকায় একা ঘুরাফেরা করছিল। এ সময় একই এলাকার মো. আব্দুর রশিদের পুত্র মনিহারি দোকানদার মো. উজ্জ্বল মিয়া (৪০) ওই নারীকে ডেকে তার দোকানে প্রবেশ করিয়ে দোকান বন্ধ করে দেয়। পরে তাকে একশত টাকার লোভ দেখিয়ে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে ওই নারী চিৎকার দিলে লোকজন ছুটে আসতে দেখে উজ্জ্বল মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে জনতার ধাওয়া খেয়ে ধর্ষক পালিয়ে গেলেও ওই নারী দায়িত্ব নেয়নি কেউ। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. রুকন উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশকে পাঠিয়ে ওই নারীকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে অনেকেই নারীটিকে খারাপ অপবাদ দিয়ে থানা নিতে বাধা দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে ধর্ষণের ঘটনা শুনে ও পারিপার্শ্বিক তদন্ত করে সত্যতা পেলেও ধর্ষণের শিকার নারীর পরিবার অজ্ঞাত কারণে থানায় যেতে চায়নি। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার দাবি করা হলেও তা করা সম্ভব হয়নি। পরে লিখিত নিয়ে ওই নারীর বোনের কাছে তুলে দেই। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে তিনি থানায় যেতে চাইলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মত পাল্টিয়ে ফেলেন। 

ধর্ষণের শিকার নারীর বোন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আমার বোন পাগল। থানায় গিয়া কিতা আইবো। এইহানই বিচার করুইন। 

এখানে তো আমরা বিচার করতে পারব না- চেয়ারম্যান এমন কথা বললে ওই নারীর বোন বলেন, তাঅইলে আমার বোন আমার কাছে দেইন। বাড়িত লইয়া যাইয়গা। 

নান্দাইল থানার ওসি বলেন, আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। তারপরও ওই নারী যদি থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেন তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেব।

নিউজ লাইট ৭১