মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামিন হলো না ইরফান সেলিমের

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০
  • / 107

চকবাজার থানার করা অস্ত্র মামলায় ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী মো. জাহিদের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।  

রোববার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি তাদের জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন। 

আসামি পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী প্রাণনাথ। 

এর আগে গত শনিবার দুই মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২৭ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে দুটি করে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব। গত ২৯ অক্টোবর এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন অস্ত্র ও মাদক আইনে দুজনের বিরুদ্ধে দুটি করে চারটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ প্রত্যেকের ১৪ দিন করে রিমান্ড চান। এরপর গত ৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ডে নেয়া হয়।

মামলার বিষয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ইরফান সেলিমের বাসায় অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে সেখান থেকে বিভিন্ন অনুমোদনহীন জিনিস উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে দুটি অবৈধ বিদেশি অস্ত্র, একটি এয়ারগান ও বেশ কিছু বিদেশি মদ ও ইয়াবা রয়েছে। 

এছাড়া ৩৮টি ওয়াকিটকি সেট ও তিনটি ভিএইচএফ (ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি) ওয়াকিটকি বেজ স্টেশনও উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইরফান সেলিমকে মাদক সেবন ও বেআইনিভাবে ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৮ মাসের সাজা দিয়েছেন। এছাড়া ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদকে বেআইনি ওয়াকিটকি ব্যবহারের জন্য ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এদিকে গত ২৫ অক্টোবর রাতে ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিম খানকে মারধর করেন এমপি হাজী সেলিমের গাড়িতে থাকা লোকজন। 

ওই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করে নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন। 

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

জামিন হলো না ইরফান সেলিমের

আপডেট টাইম : ০৭:৩৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

চকবাজার থানার করা অস্ত্র মামলায় ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী মো. জাহিদের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।  

রোববার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি তাদের জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন। 

আসামি পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী প্রাণনাথ। 

এর আগে গত শনিবার দুই মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ২৭ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে দুটি করে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে র‌্যাব। গত ২৯ অক্টোবর এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন অস্ত্র ও মাদক আইনে দুজনের বিরুদ্ধে দুটি করে চারটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ প্রত্যেকের ১৪ দিন করে রিমান্ড চান। এরপর গত ৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ডে নেয়া হয়।

মামলার বিষয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ইরফান সেলিমের বাসায় অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে সেখান থেকে বিভিন্ন অনুমোদনহীন জিনিস উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে দুটি অবৈধ বিদেশি অস্ত্র, একটি এয়ারগান ও বেশ কিছু বিদেশি মদ ও ইয়াবা রয়েছে। 

এছাড়া ৩৮টি ওয়াকিটকি সেট ও তিনটি ভিএইচএফ (ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি) ওয়াকিটকি বেজ স্টেশনও উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইরফান সেলিমকে মাদক সেবন ও বেআইনিভাবে ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৮ মাসের সাজা দিয়েছেন। এছাড়া ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদকে বেআইনি ওয়াকিটকি ব্যবহারের জন্য ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এদিকে গত ২৫ অক্টোবর রাতে ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিম খানকে মারধর করেন এমপি হাজী সেলিমের গাড়িতে থাকা লোকজন। 

ওই ঘটনায় ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করে নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন। 

নিউজ লাইট ৭১