সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র উপহার সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশী হয়েছে নান্দাইলের ২৪টি গৃহহীন পরিবার

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০
  • / 113

নিউজ লাইট ৭১ঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র উপহার সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশী হয়েছে নান্দাইলের ২৪টি গৃহহীন পরিবার। এতে গৃহহীন দরিদ্র মানুষগুলো পাকা ঘর পেয়ে খুশীতে আত্মহারা। আলাদিনের চেরাগ (প্রদীপ) পাওয়ার মতো দূর্লভ স্বপ্ন যেন তাদের জীবনে বাস্তবে রূপ নিয়েছে। 

পাকা ঘরে থাকার বা শোবার স্বপ্ন কোনোদিন পূরণ হবে না বলেই ধরে নিয়েছিল উপকারভোগী পরিবারগুলো। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সহ উনার দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন উপকারভোগীরা। 

নান্দাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টি.আর কর্মসূচীর আওতায় গৃহহীনদের জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পে ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রতিটি অর্ধ পাকা (হাফবিল্ডিং) ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। 

যাদের এক থেকে পাচঁ শতাংশ জমি আছে কিন্তু ঘর নেই বা ঘরটি ব্যবহার অনুপযোগী এমন অসহায় দরিদ্র পরিবারকে একটি করে পাকা টয়লেট, পাকা রান্নাঘর সহ ৩ কক্ষ বিশিষ্ট হাফবিল্ডিং দূর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ২৪টি গৃহহীন পরিবার এই ঘরগুলো পেয়েছেন। 

সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বীর বেতাগৈর ও চরবেতাগৈর ইউনিয়নে ২টি, শেরপুর, মোয়াজ্জেমপুর, খারুয়া, জাহাঙ্গীরপুর, নান্দাইল, চন্ডীপাশা, গাংগাইল, রাজগাতী, মুশুল্লী, সিংরইল ও আচারগাঁও ইউনিয়নে ২টি করে পাকা ঘর তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে। 

বর্তমানে সে ঘরগুলোতে বসবাস করছে উপকারভোগী পরিবার-পরিজন। উপকারভোগী মজলু মিয়া ও রওশন আক্তার জানান, “আমাদের ঘর ছিল না, থাকলেও রোদে-বৃষ্টিতে ভিজতে হতো, বাচ্চা-পোলাপান নিয়ে বহু কষ্টে জীবন কেটেছি। এখন সরকারীভাবে পাকা ঘর পেয়ে আমরা খুব খুশী ও নিশ্চিন্তে আছি।” 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আলীম জানান, কোনধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি ব্যতিরেখেই সুষ্ঠভাবে ২৪টি ঘরের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। 
উপকারভোগীরা পাকা ঘর পেয়ে খুবই খুশী।

 নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ উদ্দিন বলেন, আমরা সেগুলো নিয়মিত দেখভাল করেছি। এ পর্যন্ত কোনো ধরনের অনিয়মের খবর আমাদের চোখে পড়েনি এবং উপকারভোগীরা খুশী হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ূ কামনা সহ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।  

Tag :

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র উপহার সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশী হয়েছে নান্দাইলের ২৪টি গৃহহীন পরিবার

আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

নিউজ লাইট ৭১ঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র উপহার সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশী হয়েছে নান্দাইলের ২৪টি গৃহহীন পরিবার। এতে গৃহহীন দরিদ্র মানুষগুলো পাকা ঘর পেয়ে খুশীতে আত্মহারা। আলাদিনের চেরাগ (প্রদীপ) পাওয়ার মতো দূর্লভ স্বপ্ন যেন তাদের জীবনে বাস্তবে রূপ নিয়েছে। 

পাকা ঘরে থাকার বা শোবার স্বপ্ন কোনোদিন পূরণ হবে না বলেই ধরে নিয়েছিল উপকারভোগী পরিবারগুলো। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে তাদের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সহ উনার দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন উপকারভোগীরা। 

নান্দাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টি.আর কর্মসূচীর আওতায় গৃহহীনদের জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পে ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রতিটি অর্ধ পাকা (হাফবিল্ডিং) ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। 

যাদের এক থেকে পাচঁ শতাংশ জমি আছে কিন্তু ঘর নেই বা ঘরটি ব্যবহার অনুপযোগী এমন অসহায় দরিদ্র পরিবারকে একটি করে পাকা টয়লেট, পাকা রান্নাঘর সহ ৩ কক্ষ বিশিষ্ট হাফবিল্ডিং দূর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ২৪টি গৃহহীন পরিবার এই ঘরগুলো পেয়েছেন। 

সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বীর বেতাগৈর ও চরবেতাগৈর ইউনিয়নে ২টি, শেরপুর, মোয়াজ্জেমপুর, খারুয়া, জাহাঙ্গীরপুর, নান্দাইল, চন্ডীপাশা, গাংগাইল, রাজগাতী, মুশুল্লী, সিংরইল ও আচারগাঁও ইউনিয়নে ২টি করে পাকা ঘর তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে। 

বর্তমানে সে ঘরগুলোতে বসবাস করছে উপকারভোগী পরিবার-পরিজন। উপকারভোগী মজলু মিয়া ও রওশন আক্তার জানান, “আমাদের ঘর ছিল না, থাকলেও রোদে-বৃষ্টিতে ভিজতে হতো, বাচ্চা-পোলাপান নিয়ে বহু কষ্টে জীবন কেটেছি। এখন সরকারীভাবে পাকা ঘর পেয়ে আমরা খুব খুশী ও নিশ্চিন্তে আছি।” 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আলীম জানান, কোনধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতি ব্যতিরেখেই সুষ্ঠভাবে ২৪টি ঘরের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। 
উপকারভোগীরা পাকা ঘর পেয়ে খুবই খুশী।

 নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ উদ্দিন বলেন, আমরা সেগুলো নিয়মিত দেখভাল করেছি। এ পর্যন্ত কোনো ধরনের অনিয়মের খবর আমাদের চোখে পড়েনি এবং উপকারভোগীরা খুশী হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ূ কামনা সহ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।