১০ টাকা কেজিতে চাল পাচ্ছেন ৯০১৬ পরিবার
- আপডেট টাইম : ০৪:২৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০
- / 128
৭১: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে হত দরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এই স্লোগানে চলতি মাসে উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে ২৮ জন ডিলারের মাধ্যমে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৯ হাজার ১৬ জন পরিবার এ সুবিধা পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এ চাল পেয়ে হত দরিদ্ররা বেশ খুশি।
সরেজমিনে দেখা যায়, হত দরিদ্র মানুষগুলো আনন্দ মুখরভাবে চাল নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে।
জানাযায়, খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে উপজেলায় ব্যাপকভাবে যাচাই বাছাই করে ১৪ টি ইউনিয়নে ৯ হাজার ১৬ টি পরিবারকে কার্ড দেয়া হয়। তারা সবাই গরীব, হতদরিদ্র ও অসচ্ছল।
এই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর এই ৫ মাস ১০ টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল ক্রয় করতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গরীব, হতদরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের কথাভেবে এ কর্মসূচি চালু করেছেন।
উপজেলায় ২৮ জন ডিলারের মাধ্যমে ৯ হাজার ১৬ টি পরিবারের মাঝে প্রতি মাসে প্রায় ২ শত ৭১ মে. টন চাউল বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক ডিলার ৩শত ২২টি করে পরিবারকে চাউল দিয়ে থাকেন।
গত মাসের ২০ তারিখে টানা ৩ দিন সেপ্টেম্বর মাসের চাল বিক্রি করেন। প্রতি মাসে একবার একটি পরিবার ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ভোক্তা গোবরদী গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, আমার পরিবারে ৩ জন সদস্য রয়েছে। ১০ টাকা কেজি দরে চাল ক্রয় করতে পেরে আমি উপকৃত হয়েছি। এখন আর কেউ না খেয়ে মরবে না।
একই গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন, আমার পরিবারে ৫ জন সদস্য রয়েছে। আমিও ১০ টাকা কেজি দরে চাউল ক্রয় করতে পেরে খুশি হয়েছি।
আছমা বেগম বলেন, আমার পরিবারে ৬ জন সদস্য নিয়ে কষ্টে জীবনযাপন করি। এখন ১০ টাকা কেজি দরে চাল ক্রয় করতে পেরে অনেকটা ভালো আছি। শেখ হাসিনা সরকার আমাদের দিকে লক্ষ্য রেখেছে এ জন্য আমরা শেখ হাসিনাকে দোয়া করি।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় অতিরিক্ত অফিসার শ্যামল সরকার বলেন, মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিব বর্ষের লোগো’ সম্বলিত রঙ্গিন নতুন কার্ড ভোক্তাদের হাতে দেয়া হয়েছে। বিদ্যমান তালিকা থেকে মৃত, সচ্ছল, ভুয়া ও সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের বাদ দিয়ে সর্বোচ্চ সঠিক ভাবে যাচাই বাছাই করে ইউনিয়ন ভিক্তিক সংশোধিত তালিকা করে নতুন কার্ড তৈরী করা হয়েছে।
এ বিশাল কর্মযজ্ঞের সাথে যারা সার্বক্ষণিক শ্রম ও সময় দিয়েছে তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ৬৪৪ টি পরিবারকে কার্ড দেয়া হয়েছে।

















