বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাফনের সময় কেঁদে উঠলো নবজাতক, ঢামেক পরিচালকের ব্যাখ্যা

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৬:২১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০
  • / 122

৭১: ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে নেওয়ার পর নবজাতকের জীবিত হয়ে ওঠার ঘটনাটি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন। ঘটনাটি মিরাকল মন্তব্য করে তদন্ত শেষে কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর)  হাসপাতালে নিজ কক্ষে ঢামেক পরিচালক বলেন, আমি আজ সকালেও চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও জানার চেষ্টা করেছি কী কারণে এমনটি হয়েছে। শিশুটি জন্মের পর কোনো কান্নাকাটি, নড়াচড়া ছিল না। তার হার্টবিটও পাচ্ছিল না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করছিল, কিন্তু অনেক সময় পরেও কোনো রেসপন্স পাচ্ছিল না। তারপরও চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে রেখে দেয় শিশুটিকে।

নাসির উদ্দিন বলেন, পরে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে ডেড সার্টিফিকেট দেওয়ার হয়। এরপরই শিশুটির বাবা কবরস্থানে নিয়ে যায়।

এদিকে, শিশুটি এখন এনআইসিইউতে ভর্তি রয়েছে এবং সুস্থ আছে। তবে সে শঙ্কামুক্তও নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাকে ঢামেকের গাইনি বিভাগের শিশু নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (এনআইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নবজাতকটিকে মৃত বলে স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেন ঢামেক  হাসপাতালের চিকিৎসকরা। স্বজনরা শিশুটিকে দাফনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। কবরস্থানেও নিয়ে যাওয়া হয়। আর মাত্র কয়েক মুহূর্ত বাকি দাফনের।এমন সময় নড়েচড়ে উঠে শিশুটি।

Tag :

শেয়ার করুন

দাফনের সময় কেঁদে উঠলো নবজাতক, ঢামেক পরিচালকের ব্যাখ্যা

আপডেট টাইম : ০৬:২১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

৭১: ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে নেওয়ার পর নবজাতকের জীবিত হয়ে ওঠার ঘটনাটি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন। ঘটনাটি মিরাকল মন্তব্য করে তদন্ত শেষে কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর)  হাসপাতালে নিজ কক্ষে ঢামেক পরিচালক বলেন, আমি আজ সকালেও চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও জানার চেষ্টা করেছি কী কারণে এমনটি হয়েছে। শিশুটি জন্মের পর কোনো কান্নাকাটি, নড়াচড়া ছিল না। তার হার্টবিটও পাচ্ছিল না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করছিল, কিন্তু অনেক সময় পরেও কোনো রেসপন্স পাচ্ছিল না। তারপরও চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে রেখে দেয় শিশুটিকে।

নাসির উদ্দিন বলেন, পরে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে ডেড সার্টিফিকেট দেওয়ার হয়। এরপরই শিশুটির বাবা কবরস্থানে নিয়ে যায়।

এদিকে, শিশুটি এখন এনআইসিইউতে ভর্তি রয়েছে এবং সুস্থ আছে। তবে সে শঙ্কামুক্তও নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাকে ঢামেকের গাইনি বিভাগের শিশু নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (এনআইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নবজাতকটিকে মৃত বলে স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেন ঢামেক  হাসপাতালের চিকিৎসকরা। স্বজনরা শিশুটিকে দাফনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। কবরস্থানেও নিয়ে যাওয়া হয়। আর মাত্র কয়েক মুহূর্ত বাকি দাফনের।এমন সময় নড়েচড়ে উঠে শিশুটি।