মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীন, রাশিয়া, সৌদি সদস্য হওয়ায় বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০
  • / 143

৭১: চীন, রাশিয়া এবং সৌদি আরব জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হতে যাচ্ছে। এই তিনটি দেশ বিশ্বের অন্যতম মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হিসেবে অভিযুক্ত। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এই তিনটি দেশ কোনোমতেই মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য হতে পারে না। তারা সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আজকের ভোট নিয়ে দ্বিতীয়বার চিন্তা করার দাবি জানিয়েছেন।

ব্রিটেন এবং ফ্রান্সও গতকাল মঙ্গলবারের ভোটে এই কাউন্সিলের সদস্য হচ্ছে। খবর বিবিসি বাংলার।

এসব অভিযোগ উঠছে চীনে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন, রাশিয়ায় বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন আর সৌদি রাজপরিবারের নির্দেশে সাংবাদিক জামাল খাশোগজির হত্যার পটভূমিতে। জাতিসংঘের কর্মকর্তার ওপর নজর রাখা প্রতিষ্ঠান ইউএন ওয়াচ বলছে, ব্যাপারটা যেন অগ্নিসংযোগ করে এমন একটি দলের হাতেই দমকল বাহিনীর দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেনের বিরোধী দল লেবার পার্টি এই নির্বাচনে বিশেষভাবে চীনের বিরোধিতা করেছে।

বিবিসির কূটনৈতিক সংবাদদাতা জেমস ল্যান্ডল জানাচ্ছেন, কূটনীতিকরা আশা করছেন, এই তিনটি দেশ যদি কাউন্সিলের সদস্য হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো নিয়েও তাদের জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা যাবে। কিন্তু সেখানে একটা বড় ঝুঁকি রয়ে যাচ্ছে। ঝুঁকিটা হলো সদস্য হওয়ার সুবাদে এই দেশগুলো তাদের বিরুদ্ধে আনা যেকোনো পদক্ষেপ আটকে দিতে পারে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের জন্ম হয়েছিল ২০০৬ সালের ১৫ মার্চ। এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে : সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং বাক স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, নারী অধিকার ইত্যাদি নানা ধরনের মানবাধিকারকে হেফাজত করা। এর সদস্য সংখ্যা ৪৭।facebook sharing button whatsapp sharing button

Tag :

শেয়ার করুন

চীন, রাশিয়া, সৌদি সদস্য হওয়ায় বিতর্ক

আপডেট টাইম : ০৫:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০

৭১: চীন, রাশিয়া এবং সৌদি আরব জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হতে যাচ্ছে। এই তিনটি দেশ বিশ্বের অন্যতম মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হিসেবে অভিযুক্ত। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এই তিনটি দেশ কোনোমতেই মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য হতে পারে না। তারা সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আজকের ভোট নিয়ে দ্বিতীয়বার চিন্তা করার দাবি জানিয়েছেন।

ব্রিটেন এবং ফ্রান্সও গতকাল মঙ্গলবারের ভোটে এই কাউন্সিলের সদস্য হচ্ছে। খবর বিবিসি বাংলার।

এসব অভিযোগ উঠছে চীনে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন, রাশিয়ায় বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন আর সৌদি রাজপরিবারের নির্দেশে সাংবাদিক জামাল খাশোগজির হত্যার পটভূমিতে। জাতিসংঘের কর্মকর্তার ওপর নজর রাখা প্রতিষ্ঠান ইউএন ওয়াচ বলছে, ব্যাপারটা যেন অগ্নিসংযোগ করে এমন একটি দলের হাতেই দমকল বাহিনীর দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটেনের বিরোধী দল লেবার পার্টি এই নির্বাচনে বিশেষভাবে চীনের বিরোধিতা করেছে।

বিবিসির কূটনৈতিক সংবাদদাতা জেমস ল্যান্ডল জানাচ্ছেন, কূটনীতিকরা আশা করছেন, এই তিনটি দেশ যদি কাউন্সিলের সদস্য হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো নিয়েও তাদের জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা যাবে। কিন্তু সেখানে একটা বড় ঝুঁকি রয়ে যাচ্ছে। ঝুঁকিটা হলো সদস্য হওয়ার সুবাদে এই দেশগুলো তাদের বিরুদ্ধে আনা যেকোনো পদক্ষেপ আটকে দিতে পারে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের জন্ম হয়েছিল ২০০৬ সালের ১৫ মার্চ। এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে : সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং বাক স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, নারী অধিকার ইত্যাদি নানা ধরনের মানবাধিকারকে হেফাজত করা। এর সদস্য সংখ্যা ৪৭।facebook sharing button whatsapp sharing button