ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলপিজির সংকট নেই, কেন মিলছে না সিলিন্ডার?

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বাজারে এলপিজির সংকট নেই বলে বিক্রেতারা দাবি করলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার। এমনকি বাড়তি দাম দেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা।

বিক্রেতাদের দাবি, তাদেরই বেশি দামে এলপিজি কিনতে হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করলে লোকসান হবে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের সংগঠনের নেতারা বলছেন, অনেক কোম্পানি চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হয়েছে।

তেঁজগাওয়ের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দোকানে ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী মোহাম্মদ অয়ন। দোকানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৫০ টাকা। অথচ এর আগে একই সিলিন্ডার তিনি কিনেছিলেন ১ হাজার ৬৫০ টাকায়। বাড়তি দাম নিয়ে দর-কষাকষি করেও কোনো লাভ হয়নি। কারণ, তার আগেই সিলিন্ডারটি নেওয়ার জন্য অন্য ক্রেতারাও অপেক্ষা করছিলেন।

অয়ন বলেন, দোকানিকে ১ হাজার ৭৫০ টাকা রাখার কথা বলেছি। জবাবে দোকানি বললেন, বর্তমানে গ্যাস নেই, তাই ১ হাজার ৯৫০ টাকাই দিতে হবে। দোকানে আরও দুই-তিনজন ক্রেতা অপেক্ষা করছেন বলেও জানান তিনি। অয়ন সিলিন্ডারটি না নিলে অন্য ক্রেতা নিয়ে যাবেন এমন পরিস্থিতির কথাও জানান দোকানি।

শুধু গৃহস্থালি ব্যবহারকারী নয়, বাড়তি দামের কারণে চাপে পড়েছেন ছোট ব্যবসায়ীরাও। চা দোকানি আরিফ মঙ্গলবার সকাল নাগাদ ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনেছেন ১ হাজার ৯৫০ টাকা দরে। তার দাবি, বাজারে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাড়তি দাম দিয়েই দোকানের জন্য সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে তাকে। এতে আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আরিফ বলেন, আমাদেরও চলতে কষ্ট হচ্ছে। চায়ের দাম বাড়াতে পারছি না। দাম বাড়ালে ক্রেতারা আপত্তি করেন। পাঁচ টাকা রং চা ও ১০ টাকা দুধ চায়ের দামে কীভাবে ব্যবসা করব।

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু রাজধানীর অধিকাংশ দোকানেই এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে। ৩৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৬ হাজার টাকার মধ্যে।

এর মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে এলপিজির সংকট নেই। তবে ক্রেতাদের অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে, নির্ধারিত দামে তো নয়ই, বাড়তি দাম দিয়েও অনেক সময় প্রয়োজনীয় সিলিন্ডার সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

একজন ক্রেতা বলেন, যে ডিলারের কাছে যাচ্ছি, তার কাছেই নাকি সিলিন্ডার নেই। ফলে মানুষ নিরুপায়। রান্না করতে হবে, খেতে হবে এ কারণে এলপিজির কোনো বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়েই বাড়তি দাম দিতে হচ্ছে।

অন্যদিকে দোকানিদের দাবি, তাদেরও বাড়তি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে তাদের খরচ পড়ছে ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকার মধ্যে। ফলে বিইআরসির নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকা দরে বিক্রি করলে লোকসান হবে।

একজন বিক্রেতা বলেন, আমরা ১ হাজার ৬৫০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনছি, অথচ সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। বিইআরসির নির্ধারিত দামের সঙ্গে কোম্পানির দামেরও পার্থক্য রয়েছে। ফলে ওই দামে সিলিন্ডার বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণেই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এলপি গ্যাস ট্রেডার্স কোঅপারেটিভ সোসাইটির নেতার দাবি, অধিকাংশ কোম্পানি চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করতে পারছে না। এ কারণে বাজারে সরবরাহ নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

এলপি গ্যাস ট্রেডার্স কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ট্রেজারার আবু তাহের খোরশেদ বলেন, পাঁচ দিন, সাত দিন, এমনকি আট দিন অপেক্ষা করে রেশনিং করে আমাদের মাল আনতে হয়। অনেক কোম্পানির কাছে সম্পূর্ণভাবে গ্যাস না থাকায় বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভোক্তাকেও অবহিত করা হয়েছে। তারা আমাদের বলেছে, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিষয়টি মনিটরিং করা হবে।

তবে বাজারে এলপিজির সরবরাহ ও দামের এই পরিস্থিতির কারণ কোথায়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ব্যবসায়ীরা একদিকে বেশি দামে পণ্য কেনার কথা বলছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে সিলিন্ডার কিনছেন। আবার বাড়তি দাম দেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

কোন জায়গায় সমস্যা হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে সরকারকে এ বিষয়ে সমাধানে এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, এলপিজির বাজার দেখভালের জন্য সরকারের একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ধারিত হিসাব অনুযায়ী দাম কার্যকর হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। সেপ্টেম্বরেও প্রায় কাছাকাছি পরিমাণ এলপিজি আমদানি হয়েছে। ফলে আমদানির পরিমাণের তথ্যের সঙ্গে বাজারে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রি এবং চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার না পাওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও সামনে এসেছে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

এলপিজির সংকট নেই, কেন মিলছে না সিলিন্ডার?

আপডেট টাইম : ০৬:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বাজারে এলপিজির সংকট নেই বলে বিক্রেতারা দাবি করলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার। এমনকি বাড়তি দাম দেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা।

বিক্রেতাদের দাবি, তাদেরই বেশি দামে এলপিজি কিনতে হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি করলে লোকসান হবে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের সংগঠনের নেতারা বলছেন, অনেক কোম্পানি চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হয়েছে।

তেঁজগাওয়ের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দোকানে ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী মোহাম্মদ অয়ন। দোকানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৫০ টাকা। অথচ এর আগে একই সিলিন্ডার তিনি কিনেছিলেন ১ হাজার ৬৫০ টাকায়। বাড়তি দাম নিয়ে দর-কষাকষি করেও কোনো লাভ হয়নি। কারণ, তার আগেই সিলিন্ডারটি নেওয়ার জন্য অন্য ক্রেতারাও অপেক্ষা করছিলেন।

অয়ন বলেন, দোকানিকে ১ হাজার ৭৫০ টাকা রাখার কথা বলেছি। জবাবে দোকানি বললেন, বর্তমানে গ্যাস নেই, তাই ১ হাজার ৯৫০ টাকাই দিতে হবে। দোকানে আরও দুই-তিনজন ক্রেতা অপেক্ষা করছেন বলেও জানান তিনি। অয়ন সিলিন্ডারটি না নিলে অন্য ক্রেতা নিয়ে যাবেন এমন পরিস্থিতির কথাও জানান দোকানি।

শুধু গৃহস্থালি ব্যবহারকারী নয়, বাড়তি দামের কারণে চাপে পড়েছেন ছোট ব্যবসায়ীরাও। চা দোকানি আরিফ মঙ্গলবার সকাল নাগাদ ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনেছেন ১ হাজার ৯৫০ টাকা দরে। তার দাবি, বাজারে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাড়তি দাম দিয়েই দোকানের জন্য সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে তাকে। এতে আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আরিফ বলেন, আমাদেরও চলতে কষ্ট হচ্ছে। চায়ের দাম বাড়াতে পারছি না। দাম বাড়ালে ক্রেতারা আপত্তি করেন। পাঁচ টাকা রং চা ও ১০ টাকা দুধ চায়ের দামে কীভাবে ব্যবসা করব।

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু রাজধানীর অধিকাংশ দোকানেই এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে। ৩৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৬ হাজার টাকার মধ্যে।

এর মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে এলপিজির সংকট নেই। তবে ক্রেতাদের অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে, নির্ধারিত দামে তো নয়ই, বাড়তি দাম দিয়েও অনেক সময় প্রয়োজনীয় সিলিন্ডার সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

একজন ক্রেতা বলেন, যে ডিলারের কাছে যাচ্ছি, তার কাছেই নাকি সিলিন্ডার নেই। ফলে মানুষ নিরুপায়। রান্না করতে হবে, খেতে হবে এ কারণে এলপিজির কোনো বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়েই বাড়তি দাম দিতে হচ্ছে।

অন্যদিকে দোকানিদের দাবি, তাদেরও বাড়তি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে তাদের খরচ পড়ছে ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকার মধ্যে। ফলে বিইআরসির নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকা দরে বিক্রি করলে লোকসান হবে।

একজন বিক্রেতা বলেন, আমরা ১ হাজার ৬৫০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনছি, অথচ সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। বিইআরসির নির্ধারিত দামের সঙ্গে কোম্পানির দামেরও পার্থক্য রয়েছে। ফলে ওই দামে সিলিন্ডার বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণেই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এলপিজি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এলপি গ্যাস ট্রেডার্স কোঅপারেটিভ সোসাইটির নেতার দাবি, অধিকাংশ কোম্পানি চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করতে পারছে না। এ কারণে বাজারে সরবরাহ নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

এলপি গ্যাস ট্রেডার্স কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ট্রেজারার আবু তাহের খোরশেদ বলেন, পাঁচ দিন, সাত দিন, এমনকি আট দিন অপেক্ষা করে রেশনিং করে আমাদের মাল আনতে হয়। অনেক কোম্পানির কাছে সম্পূর্ণভাবে গ্যাস না থাকায় বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভোক্তাকেও অবহিত করা হয়েছে। তারা আমাদের বলেছে, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিষয়টি মনিটরিং করা হবে।

তবে বাজারে এলপিজির সরবরাহ ও দামের এই পরিস্থিতির কারণ কোথায়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। ব্যবসায়ীরা একদিকে বেশি দামে পণ্য কেনার কথা বলছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে সিলিন্ডার কিনছেন। আবার বাড়তি দাম দেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।

কোন জায়গায় সমস্যা হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে সরকারকে এ বিষয়ে সমাধানে এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, এলপিজির বাজার দেখভালের জন্য সরকারের একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ধারিত হিসাব অনুযায়ী দাম কার্যকর হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। সেপ্টেম্বরেও প্রায় কাছাকাছি পরিমাণ এলপিজি আমদানি হয়েছে। ফলে আমদানির পরিমাণের তথ্যের সঙ্গে বাজারে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রি এবং চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার না পাওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও সামনে এসেছে।

নিউজ লাইট ৭১