সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মান্দায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০২:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 97

ছবি প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দা উপজেলার বাথইল গোপাল প্রামাণিক উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাত ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আজ সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য সুনীল কুমার, শিক্ষার্থী অভিভাবক নাছের উদ্দিন মোল্লা, আব্দুস সামাদ ও গোলাম মাওলা, প্রাক্তন ছাত্র রিপন কুমার সরকার, স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন, হারুন অর রশীদ ও আমিনুল ইসলাম।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র রিপন কুমার সরকার বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের টিনসহ আসবাবপত্র বিক্রি করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করেন। বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা বেশকিছু দোকানঘর ভাড়া দেওয়া হলেও এর কোনো হিসাব নেই। সহকারী শিক্ষক সোহরাব হোসেনের সহায়তায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসব টাকা আত্মসাত করেন।
প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য সুনীল কুমার নতুন ভবন নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে বলেন, ‘ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজস করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ভবনটি তড়িঘড়ি করে বুঝে নেন। অথচ কয়েক মাসের মধ্যেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার পানির ব্যবস্থা নেই। স্বেচ্ছাচারি কায়দায় একক সিদ্ধান্তে তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। অবিলম্বে এসবের তদন্ত করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণসহ শাস্তির দাবি করছি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি, মোবাইলফোনও তিনি রিসিভ করেননি।
আব্দুল মালেক/নিউজ লাইট ৭১
Tag :

শেয়ার করুন

মান্দায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০২:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
নওগাঁর মান্দা উপজেলার বাথইল গোপাল প্রামাণিক উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাত ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে আজ সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য সুনীল কুমার, শিক্ষার্থী অভিভাবক নাছের উদ্দিন মোল্লা, আব্দুস সামাদ ও গোলাম মাওলা, প্রাক্তন ছাত্র রিপন কুমার সরকার, স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন, হারুন অর রশীদ ও আমিনুল ইসলাম।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র রিপন কুমার সরকার বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের টিনসহ আসবাবপত্র বিক্রি করে সমুদয় অর্থ আত্মসাত করেন। বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা বেশকিছু দোকানঘর ভাড়া দেওয়া হলেও এর কোনো হিসাব নেই। সহকারী শিক্ষক সোহরাব হোসেনের সহায়তায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসব টাকা আত্মসাত করেন।
প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য সুনীল কুমার নতুন ভবন নির্মাণে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে বলেন, ‘ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজস করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ভবনটি তড়িঘড়ি করে বুঝে নেন। অথচ কয়েক মাসের মধ্যেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার পানির ব্যবস্থা নেই। স্বেচ্ছাচারি কায়দায় একক সিদ্ধান্তে তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। অবিলম্বে এসবের তদন্ত করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণসহ শাস্তির দাবি করছি।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি, মোবাইলফোনও তিনি রিসিভ করেননি।
আব্দুল মালেক/নিউজ লাইট ৭১