শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি টিকার দ্বিতীয় চালান আসবে

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / 88

ভারতের সেরাম ইন্সটিউটিট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাষ্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় চালান আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দেশে এসে পৌঁছবে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনা টিকা নেয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন।

তিনি বলেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি টিকার দ্বিতীয় চালান আসবে। এখন পর্যন্ত ৩০ লাখ টিকা আনার চিন্তাভাবনা চলছে। আমাদের চাহিদার ওপর টিকার সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। কারণ এখনও ৬০ লাখের বেশি টিকার মজুদ রয়েছে। টিকা নিয়ে কোনো সংকট হবে না।

পাপন বলেন, আমি শুরু থেকে বলে আসছি, এ টিকা হলো সবচেয়ে নিরাপদ টিকা। কার্যকারিতা আছে তবে সবচেয়ে বড় গুন হলো এ টিকা নিরাপদ।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ভ্যাকসিন সহায়তা ও বিতরণ সংক্রান্ত ত্রিপাক্ষিক সমঝোতা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী ছয় মাসে ৫০ লাখ করে মোট তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ।

গত ২০ জানুয়ারি ২০ লাখ ডোজ টিকা ভারত সরকার উপহার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠায়। পরবর্তীতে কেনা টিকার ৫০ লাখের প্রথম চালান আসে ২৫ জানুয়ারি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি টিকার দ্বিতীয় চালান আসবে

আপডেট টাইম : ০৭:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ভারতের সেরাম ইন্সটিউটিট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাষ্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় চালান আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দেশে এসে পৌঁছবে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনা টিকা নেয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন।

তিনি বলেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি টিকার দ্বিতীয় চালান আসবে। এখন পর্যন্ত ৩০ লাখ টিকা আনার চিন্তাভাবনা চলছে। আমাদের চাহিদার ওপর টিকার সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। কারণ এখনও ৬০ লাখের বেশি টিকার মজুদ রয়েছে। টিকা নিয়ে কোনো সংকট হবে না।

পাপন বলেন, আমি শুরু থেকে বলে আসছি, এ টিকা হলো সবচেয়ে নিরাপদ টিকা। কার্যকারিতা আছে তবে সবচেয়ে বড় গুন হলো এ টিকা নিরাপদ।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ভ্যাকসিন সহায়তা ও বিতরণ সংক্রান্ত ত্রিপাক্ষিক সমঝোতা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী ছয় মাসে ৫০ লাখ করে মোট তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ।

গত ২০ জানুয়ারি ২০ লাখ ডোজ টিকা ভারত সরকার উপহার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠায়। পরবর্তীতে কেনা টিকার ৫০ লাখের প্রথম চালান আসে ২৫ জানুয়ারি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।

নিউজ লাইট ৭১