শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকরি হারালেন ঢাকা মহানগর ডিএমপির ১০ সদস্য

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০২০
  • / 94

মাদকাসক্তি প্রমাণ পেয়ে চাকরি হারালেন ঢাকা মহানগর ডিএমপির ১০ সদস্য।

এছাড়া এদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা সেবনের পাশাপাশি, মাদক বিক্রি, মাদক দিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের ফাঁসানো, উদ্ধার করা মাদক জব্দ তালিকায় কম দেখানোর মতো অপরাধের সঙ্গেও যুক্ত।

এই প্রসঙ্গে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগের উপ কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন জানান, যাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে তাদের কারও নাম পাওয়া যায়নি। তারা কোন পদে কর্মরত ছিলেন, সেটাও জানায়নি ডিএমপি।

এদিকে ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের মাদকের পরীক্ষা (ডোপ টেস্ট) করার ঘোষণা দেন। এই পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ৬৮ জনের মাদক নেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদের মধ্যে সাত জন এসআই, একজন সার্জেন্ট, পাঁচ জন এএসআই, পাঁচ জন নায়েক ও ৫০ জন কনস্টেবল।

তাদের মধ্যে ৪৩ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের বিভাগীয় মামলা হয়। পাশাপাশি ১৮ জনকে বরখাস্ত করা হয়।

মামলা নিষ্পত্তি শেষে ওই ১৮ জনের মধ্যে ১০ জনকেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলেও জানান ওয়ালিদ হোসেন।

এই ব্যবস্থা চলমান থাকবে বলেও নিশ্চিত করেন উপ কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

চাকরি হারালেন ঢাকা মহানগর ডিএমপির ১০ সদস্য

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ নভেম্বর ২০২০

মাদকাসক্তি প্রমাণ পেয়ে চাকরি হারালেন ঢাকা মহানগর ডিএমপির ১০ সদস্য।

এছাড়া এদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা সেবনের পাশাপাশি, মাদক বিক্রি, মাদক দিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের ফাঁসানো, উদ্ধার করা মাদক জব্দ তালিকায় কম দেখানোর মতো অপরাধের সঙ্গেও যুক্ত।

এই প্রসঙ্গে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন বিভাগের উপ কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন জানান, যাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে তাদের কারও নাম পাওয়া যায়নি। তারা কোন পদে কর্মরত ছিলেন, সেটাও জানায়নি ডিএমপি।

এদিকে ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের মাদকের পরীক্ষা (ডোপ টেস্ট) করার ঘোষণা দেন। এই পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত ৬৮ জনের মাদক নেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদের মধ্যে সাত জন এসআই, একজন সার্জেন্ট, পাঁচ জন এএসআই, পাঁচ জন নায়েক ও ৫০ জন কনস্টেবল।

তাদের মধ্যে ৪৩ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের বিভাগীয় মামলা হয়। পাশাপাশি ১৮ জনকে বরখাস্ত করা হয়।

মামলা নিষ্পত্তি শেষে ওই ১৮ জনের মধ্যে ১০ জনকেই চাকরিচ্যুত করা হয়েছে বলেও জানান ওয়ালিদ হোসেন।

এই ব্যবস্থা চলমান থাকবে বলেও নিশ্চিত করেন উপ কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন।

নিউজ লাইট ৭১