সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাগভর্তি সরকারি ওষুধসহ জনতার হাতে ধরা স্বাস্থ্যকর্মী

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৩:০২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২০
  • / 129

৭১: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় সরকারি ওষুধ আত্মসাৎকালে কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি আব্দুল আলীমকে আটক করেছে জনতা। শনিবার সীমান্তবর্তী চন্দনপুর ইউনিয়নের ইটভাটা সংলগ্ন রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়। আব্দুল আলীম বয়ারডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদে দায়িত্বরত রয়েছেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ওষুধ আত্মসাৎ করে ফার্মেসিগুলোতে বিক্রি করা হচ্ছে এমন অভিযোগ ছিল আব্দুল আলীমের উপর। ক্লিনিক থেকে সিএইচসিপি আব্দুল আলীম ও তার ভগ্নিপতি একটি ব্যাগে করে ওষুধ নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে স্থানীয়রা তাকে আটক করে।চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা আমাকে ফোন করে জানায় ওষুধ আত্মসাতের সময় সিএইচসিপি আব্দুল আলীমকে আটক করা হয়েছে। পরে গ্রাম পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। সেখানে ব্যাগভর্তি সরকারি ওষুধ দেখতে পাই। পরবর্তীতে ওষুধসহ আব্দুল আলীমকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসি। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়। এরপর অভিযুক্তদের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পাঠানো টিমের হাতে তুলে দিয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে বয়ারডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের অভিযুক্ত সিএইচসিপি আব্দুল আলীমের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত টিম লিখিত প্রতিবেদন দাখিলের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

শেয়ার করুন

ব্যাগভর্তি সরকারি ওষুধসহ জনতার হাতে ধরা স্বাস্থ্যকর্মী

আপডেট টাইম : ০৩:০২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২০

৭১: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় সরকারি ওষুধ আত্মসাৎকালে কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি আব্দুল আলীমকে আটক করেছে জনতা। শনিবার সীমান্তবর্তী চন্দনপুর ইউনিয়নের ইটভাটা সংলগ্ন রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়। আব্দুল আলীম বয়ারডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদে দায়িত্বরত রয়েছেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ওষুধ আত্মসাৎ করে ফার্মেসিগুলোতে বিক্রি করা হচ্ছে এমন অভিযোগ ছিল আব্দুল আলীমের উপর। ক্লিনিক থেকে সিএইচসিপি আব্দুল আলীম ও তার ভগ্নিপতি একটি ব্যাগে করে ওষুধ নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে স্থানীয়রা তাকে আটক করে।চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা আমাকে ফোন করে জানায় ওষুধ আত্মসাতের সময় সিএইচসিপি আব্দুল আলীমকে আটক করা হয়েছে। পরে গ্রাম পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। সেখানে ব্যাগভর্তি সরকারি ওষুধ দেখতে পাই। পরবর্তীতে ওষুধসহ আব্দুল আলীমকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসি। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়। এরপর অভিযুক্তদের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পাঠানো টিমের হাতে তুলে দিয়েছি।

অভিযোগের বিষয়ে বয়ারডাঙ্গা কমিউনিটি ক্লিনিকের অভিযুক্ত সিএইচসিপি আব্দুল আলীমের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত টিম লিখিত প্রতিবেদন দাখিলের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।