বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের দিন বৃষ্টি হতে পারে

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০
  • / 126

৭১: কোরবানির ঈদের দিন বৃষ্টি হতে পারে। তবে ভারি বর্ষণ হবে না। বিশেষ করে রাজধানীর বাইরে রংপুর, সিলেট বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, এবার মৌসুমি বায়ু বেশ সক্রিয় রয়েছে শ্রাবণের শুরু থেকেই। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি শেষে ৩০ জুলাই থেকে ভারি বর্ষণ কমে আসবে। ৩১ জুলাই ও ১ অগাস্ট তুলনামূলক কম বৃষ্টি হবে।

শনিবার ঈদের সকালে মুসলমানরা নামাজে যাবেন। করোনাভাইরাসের মহামারীর এই সময়ে ঈদের নামাজ হবে কেবল মসজিদে। ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় কোনো জামাত হবে না। নামাজ পড়তে হবে দূরত্ব বজায় রেখে, করা যাবে না কোলাকুলি।

তবে ঈদের নামাজের পর শুরু হবে কোরবানির পশু জবাই। সে সময় বৃষ্টি হলে কিছুটা সমস্যা পোহাতে হবে। তবে পরে বৃষ্টি হলে তাতে পশুর রক্ত আর ময়লা ধুয়ে যাবে।

করোনাভাইরাস মহামারীর পাশাপাশি দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিরাজ করছে বন্যা পরিস্থিতি। ইতোমধ্যে ৩১ জেলার প্রায় অর্ধ কোটি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টি বেশি হলে দুর্গতদের দুর্ভোগ আরো বাড়বে।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, উজানে বৃষ্টি কমায় নদ-নদীর পানি প্রবাহ স্থিতিশীল হয়ে আসবে। অগাস্টের প্রথমার্ধে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করবে।

Tag :

শেয়ার করুন

ঈদের দিন বৃষ্টি হতে পারে

আপডেট টাইম : ০৫:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০

৭১: কোরবানির ঈদের দিন বৃষ্টি হতে পারে। তবে ভারি বর্ষণ হবে না। বিশেষ করে রাজধানীর বাইরে রংপুর, সিলেট বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, এবার মৌসুমি বায়ু বেশ সক্রিয় রয়েছে শ্রাবণের শুরু থেকেই। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি শেষে ৩০ জুলাই থেকে ভারি বর্ষণ কমে আসবে। ৩১ জুলাই ও ১ অগাস্ট তুলনামূলক কম বৃষ্টি হবে।

শনিবার ঈদের সকালে মুসলমানরা নামাজে যাবেন। করোনাভাইরাসের মহামারীর এই সময়ে ঈদের নামাজ হবে কেবল মসজিদে। ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় কোনো জামাত হবে না। নামাজ পড়তে হবে দূরত্ব বজায় রেখে, করা যাবে না কোলাকুলি।

তবে ঈদের নামাজের পর শুরু হবে কোরবানির পশু জবাই। সে সময় বৃষ্টি হলে কিছুটা সমস্যা পোহাতে হবে। তবে পরে বৃষ্টি হলে তাতে পশুর রক্ত আর ময়লা ধুয়ে যাবে।

করোনাভাইরাস মহামারীর পাশাপাশি দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিরাজ করছে বন্যা পরিস্থিতি। ইতোমধ্যে ৩১ জেলার প্রায় অর্ধ কোটি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টি বেশি হলে দুর্গতদের দুর্ভোগ আরো বাড়বে।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, উজানে বৃষ্টি কমায় নদ-নদীর পানি প্রবাহ স্থিতিশীল হয়ে আসবে। অগাস্টের প্রথমার্ধে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করবে।