বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধু পরিবারের মানবিকতা

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০
  • / 102

৭১: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ৪টি গ্রাম- জামশেদপুর, ধলীপাড়া, মাখরগাঁও এবং আমতৈল মিলে বৃহত্তর আমতৈল গ্রাম নামে পরিচিত। আমতৈল গ্রামে প্রতিবন্ধিতার হার সিলেটের সামগ্রিক হারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। মানবিক এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা তাঁর বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে আনেন।
মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি তৎক্ষণাৎ আমলে নেন। তিনি রামপাশা ইউনিয়নের ৪৬১ জন প্রতিবন্ধীকে জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতি পরিবারের জন্য একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি বরাদ্দের জন্য ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
এছাড়া আমতৈল গ্রামের বর্তমান প্রতিবন্ধী শিশুদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতে সুস্থ প্রজন্ম নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী কিছু নির্দেশনা দেন: গ্রামের সকল প্রতিবন্ধীর সমস্যা যথাযথভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনতে হবে। সকলকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সেলিং করা। নিজ বাসস্থানসহ আশেপাশের পরিবেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। 
খাদ্যের সকল পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারি ঔষধ সরবরাহ এবং সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করা। গ্রামে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ সিস্টেম চালু এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। প্র্রতিবন্ধীদের চাহিদা মোতাবেক বহুমাত্রিক শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করে প্রতিবন্ধী স্কুল স্থাপন ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করা। চাহিদামাফিক প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ যেমন:- হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল, হেয়ারিং ডিভাইস ও দৃষ্টি সহায়ক উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।

Tag :

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু পরিবারের মানবিকতা

আপডেট টাইম : ০৫:০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০

৭১: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ৪টি গ্রাম- জামশেদপুর, ধলীপাড়া, মাখরগাঁও এবং আমতৈল মিলে বৃহত্তর আমতৈল গ্রাম নামে পরিচিত। আমতৈল গ্রামে প্রতিবন্ধিতার হার সিলেটের সামগ্রিক হারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। মানবিক এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা তাঁর বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে আনেন।
মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি তৎক্ষণাৎ আমলে নেন। তিনি রামপাশা ইউনিয়নের ৪৬১ জন প্রতিবন্ধীকে জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতি পরিবারের জন্য একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি বরাদ্দের জন্য ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
এছাড়া আমতৈল গ্রামের বর্তমান প্রতিবন্ধী শিশুদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতে সুস্থ প্রজন্ম নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী কিছু নির্দেশনা দেন: গ্রামের সকল প্রতিবন্ধীর সমস্যা যথাযথভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনতে হবে। সকলকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সেলিং করা। নিজ বাসস্থানসহ আশেপাশের পরিবেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। 
খাদ্যের সকল পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারি ঔষধ সরবরাহ এবং সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করা। গ্রামে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ সিস্টেম চালু এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে। প্র্রতিবন্ধীদের চাহিদা মোতাবেক বহুমাত্রিক শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করে প্রতিবন্ধী স্কুল স্থাপন ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করা। চাহিদামাফিক প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ যেমন:- হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল, হেয়ারিং ডিভাইস ও দৃষ্টি সহায়ক উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।