সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিসরে বাংলাদেশি বিউটি এক্সপার্টকে খুন

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০
  • / 149

৭১: নিউইয়র্ক ও নিউজার্সির পরিচিত মুখ, বিউটি এক্সপার্ট ও বাংলাদেশি-আমেরিকান বংশোদ্ভূত ফাতেমা খান খুকির (৪৪) মৃতদেহ মিসরের কায়রোর একটি হোটেল থেকে উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ।

৭ দিন আগে ফাতেমা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যক্তিগত ভ্রমণে কায়রো গিয়েছিলেন। ২১ জুলাই নিজ হোটেল কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।

ফাতিমার লাশ প্রথমে বাংলাদেশে আনার কথা ছিল। কিন্তু তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় তদন্তের স্বার্থে লাশ সেখানেই যাবে।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ফাতেমাকে খুন করা হয়েছে। তবে কীভাবে নিজ হোটেল কক্ষে ফাতেমার মৃত্যু হলো, এ ব্যাপারে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ফাতেমার এক নিকটাত্মীয় জানান, কায়রোর পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। লাশের ময়নাতদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।

ফাতেমা কেন কায়রো গিয়েছিলেন, কারও সঙ্গে গিয়েছিলেন কি না, কিংবা কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কি না এমন কোনো তথ্য জানা নেই তার সহকর্মীদের কাছে।

তবে তার স্বজনদের ধারণা ফাতমা প্লাস্টিক সার্জারির একটি কাজে মিসর গিয়েছিলেন।

জানা গেছে, ফাতেমা খান বিউটি এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করতেন। তিনি কিছুদিন মেসি’জ-এ কাজ করেছেন। তিনি নিউজার্সিতে একাই বসবাস করতেন। ফেনীর মেয়ে ফাতেমা খান বিবাহ–বিচ্ছেদের পর হাডসন নদীর পারের জার্সি সিটি এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট আরও তিন নারীর সঙ্গে শেয়ার করে থাকতেন।

এর আগে ১৩ জুলাই বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাও এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহকে তাঁর নিজের অ্যাপার্টমেন্টে হত্যা করা হয়। দুই দুটি ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের মনে শঙ্কার কালো মেঘ দানা বেধেছে।

Tag :

শেয়ার করুন

মিসরে বাংলাদেশি বিউটি এক্সপার্টকে খুন

আপডেট টাইম : ০৪:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০

৭১: নিউইয়র্ক ও নিউজার্সির পরিচিত মুখ, বিউটি এক্সপার্ট ও বাংলাদেশি-আমেরিকান বংশোদ্ভূত ফাতেমা খান খুকির (৪৪) মৃতদেহ মিসরের কায়রোর একটি হোটেল থেকে উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ।

৭ দিন আগে ফাতেমা যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যক্তিগত ভ্রমণে কায়রো গিয়েছিলেন। ২১ জুলাই নিজ হোটেল কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ।

ফাতিমার লাশ প্রথমে বাংলাদেশে আনার কথা ছিল। কিন্তু তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় তদন্তের স্বার্থে লাশ সেখানেই যাবে।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ফাতেমাকে খুন করা হয়েছে। তবে কীভাবে নিজ হোটেল কক্ষে ফাতেমার মৃত্যু হলো, এ ব্যাপারে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ফাতেমার এক নিকটাত্মীয় জানান, কায়রোর পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। লাশের ময়নাতদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।

ফাতেমা কেন কায়রো গিয়েছিলেন, কারও সঙ্গে গিয়েছিলেন কি না, কিংবা কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কি না এমন কোনো তথ্য জানা নেই তার সহকর্মীদের কাছে।

তবে তার স্বজনদের ধারণা ফাতমা প্লাস্টিক সার্জারির একটি কাজে মিসর গিয়েছিলেন।

জানা গেছে, ফাতেমা খান বিউটি এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করতেন। তিনি কিছুদিন মেসি’জ-এ কাজ করেছেন। তিনি নিউজার্সিতে একাই বসবাস করতেন। ফেনীর মেয়ে ফাতেমা খান বিবাহ–বিচ্ছেদের পর হাডসন নদীর পারের জার্সি সিটি এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট আরও তিন নারীর সঙ্গে শেয়ার করে থাকতেন।

এর আগে ১৩ জুলাই বাংলাদেশে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাও এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহকে তাঁর নিজের অ্যাপার্টমেন্টে হত্যা করা হয়। দুই দুটি ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের মনে শঙ্কার কালো মেঘ দানা বেধেছে।