বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪৯ লাখ টাকার খেজুর উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৬:১৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪
  • / 56

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান। ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৯ লাখ টাকা খেজুর উদ্ধার করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর এলাকায় স্টার মাল্টিপারপাস কোল্ড স্টোরেজের দুটি প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোপলিটনের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম। এসময় ভোক্তা অধিকারের নারায়ণগঞ্জ এর সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোপলিটনের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম বলেন, ওই কোল্ড স্টোরেজের তারিক হোসেনের মালিকানাধীন মৌসুমী এন্টারপ্রাইজে ১৪ টন মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর মজুদ করা ছিল। যার আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। এই খেজুরগুলোর ২০২১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ ছিল। ভুয়া স্টিকারের মাধ্যমে এর মেয়াদ বাড়িয়ে এগুলো বাজারজাতকরণের পরিকল্পনা ছিল তাদের। অন্যদিকে জিলানীর মালিকানাধীন মদিনা এন্টারপ্রাইজ থেকে মজুদকৃত ১৭ টন খেজুর উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬০ টাকা।

তিনি বলেন, বাজারে সংকট সৃষ্টি করে তারা এই খেজুরগুলো বাজারজাতকরণ করতে চেয়েছিল। আমরা খেজুরগুলো সিল করে দিয়েছি। এখনো পর্যন্ত কাউকে জরিমানা করা হয়নি। তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

ভবিষ্যতেও ভোক্তা অধিকারের এই অভিযান অব্যাহত থাকে বলে জানান তিনি।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

৪৯ লাখ টাকার খেজুর উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৬:১৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৯ লাখ টাকা খেজুর উদ্ধার করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর এলাকায় স্টার মাল্টিপারপাস কোল্ড স্টোরেজের দুটি প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোপলিটনের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম। এসময় ভোক্তা অধিকারের নারায়ণগঞ্জ এর সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোপলিটনের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম বলেন, ওই কোল্ড স্টোরেজের তারিক হোসেনের মালিকানাধীন মৌসুমী এন্টারপ্রাইজে ১৪ টন মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর মজুদ করা ছিল। যার আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। এই খেজুরগুলোর ২০২১ সাল পর্যন্ত মেয়াদ ছিল। ভুয়া স্টিকারের মাধ্যমে এর মেয়াদ বাড়িয়ে এগুলো বাজারজাতকরণের পরিকল্পনা ছিল তাদের। অন্যদিকে জিলানীর মালিকানাধীন মদিনা এন্টারপ্রাইজ থেকে মজুদকৃত ১৭ টন খেজুর উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬০ টাকা।

তিনি বলেন, বাজারে সংকট সৃষ্টি করে তারা এই খেজুরগুলো বাজারজাতকরণ করতে চেয়েছিল। আমরা খেজুরগুলো সিল করে দিয়েছি। এখনো পর্যন্ত কাউকে জরিমানা করা হয়নি। তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

ভবিষ্যতেও ভোক্তা অধিকারের এই অভিযান অব্যাহত থাকে বলে জানান তিনি।

নিউজ লাইট ৭১