জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা
- আপডেট টাইম : ১২:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩
- / 62
ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় আট জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ সময় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানির উচ্চতা ৩-৫ ফুট বেশি হতে পারে। আজ দুপুরের মধ্যে এটি আঘাত হানতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকাল আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, উপকূলীয় জেলা লক্ষীপুর, ফেনী, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’তে রূপ নিয়েছে। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর থেকে ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রপ্রান্ত উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এছাড়াও মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (২০.৩° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৬° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯৫ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৭০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা নাগাদ খেপুপাড়ার নিকট দিয়ে মোংলা-পায়রা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রপ্রান্ত শুক্রবার দুপুর নাগাদ উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ ভারি (৪৪-৮৮ মি.মি.) থেকে অতিভারি (২৮৯ মি.মি.) বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাত থেকেই ঢাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি ঘুমে শান্তি এনে দিলেও সকালে কর্মমুখী মানুষদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। সাপ্তাহিক ছুটি হলেও সড়কে কর্মজীবীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। এতে রাজধানীর জনজীবনে কিছুটা দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
নিউজ লাইট ৭১





















