বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধসে পড়া বসতঘর পরিদর্শনে দোহাজারীর পৌর মেয়র

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০১:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩
  • / 34

বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ৭ আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত টানা চার দিনের অবিরাম মুষলধারে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদী তীরবর্তী দোহাজারী পৌরসভায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

বিশেষ করে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে শতাধিক মাটির ঘর ধসে পড়েছে। গত ১১ আগস্ট বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পরিবারগুলো নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন। খোলা আকাশের নিচে চরম মানবেতর দিনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

এ দিকে ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ধসে পড়া বসতঘর পরিদর্শনের অংশ হিসেবে বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকালে ৭নম্বর ওয়ার্ডের আমানত উল্যাহর বাড়ী, পূর্ব দোহাজারী জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকা ও বেগম বাজার এলাকায় ধসে পড়া ১৫টি বসতঘর পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হাকিম।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় দোহাজারী পৌরসভার প্রতিটি এলাকা যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার মতো পরিণত হয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলেও লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ৯টি ওয়ার্ডে শতাধিক ঘর ধসে পড়লেও আল্লাহর রহমতে কোন প্রাণহানি ঘটেনি। শেষ সম্বল হিসেবে মাথা গোঁজার ঠাঁই বসত ঘর ধসে পড়ায় হতদরিদ্র মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। ধসে পড়া বসতঘরগুলো আমি পরিদর্শন করে এসে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম বলেন, দোহাজারী পৌরসভার মেয়রকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরের তালিকা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের বসতঘর পুনর্নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান করা হবে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

ধসে পড়া বসতঘর পরিদর্শনে দোহাজারীর পৌর মেয়র

আপডেট টাইম : ০১:১৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩

বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ৭ আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত টানা চার দিনের অবিরাম মুষলধারে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদী তীরবর্তী দোহাজারী পৌরসভায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

বিশেষ করে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে শতাধিক মাটির ঘর ধসে পড়েছে। গত ১১ আগস্ট বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পরিবারগুলো নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন। খোলা আকাশের নিচে চরম মানবেতর দিনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

এ দিকে ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ধসে পড়া বসতঘর পরিদর্শনের অংশ হিসেবে বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকালে ৭নম্বর ওয়ার্ডের আমানত উল্যাহর বাড়ী, পূর্ব দোহাজারী জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকা ও বেগম বাজার এলাকায় ধসে পড়া ১৫টি বসতঘর পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র মোহাম্মদ লোকমান হাকিম।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় দোহাজারী পৌরসভার প্রতিটি এলাকা যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার মতো পরিণত হয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলেও লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ৯টি ওয়ার্ডে শতাধিক ঘর ধসে পড়লেও আল্লাহর রহমতে কোন প্রাণহানি ঘটেনি। শেষ সম্বল হিসেবে মাথা গোঁজার ঠাঁই বসত ঘর ধসে পড়ায় হতদরিদ্র মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। ধসে পড়া বসতঘরগুলো আমি পরিদর্শন করে এসে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা বেগম বলেন, দোহাজারী পৌরসভার মেয়রকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরের তালিকা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের বসতঘর পুনর্নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান করা হবে।

নিউজ লাইট ৭১