বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজের দাম কমেছে

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৩:০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২
  • / 48

পেঁয়াজের আড়ৎ। ছবি: সংগৃহীত

চাহিদার তুলনায় আমদানি বাড়ায় মাত্র দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ টাকা করে। দুই দিন আগে বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৭ থেকে ২৮টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ২২ থেকে ২৩টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকারসহ নিন্মআয়ের মানুষজনের মধ্যে।

হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, দেশীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় মোকামে আমদানিকৃত পেঁয়াজের চাহিদা কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। যার কারণে আমরা হিলি স্থলবন্দর থেকে পেঁয়াজ কিনে বিভিন্ন মোকামে পাঠাতাম। কিন্তু চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় গত সপ্তাহের শেষের দিকে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখি হতে শুরু করে। সপ্তাহের শুরুতে যে পেঁয়াজ ২২ টাকায় নেমে এসেছিল তা বাড়তে বাড়তে ২৮ টাকায় উঠে যায়। বাড়তি দামের কারণে পেঁয়াজ কিনতে যেমন পুঁজি বেশি লাগছিল তেমনি দাম উঠানামা করায় পেঁয়াজ কিনতেও ভয় পাচ্ছিলাম। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথমদিন থেকেই পেঁয়াজের দাম আবারও কমতে শুরু করেছে। দুই দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা করে কমেছে, ২৭ থেকে ২৮ টাকার পেঁয়াজ ২২/২৩ টাকায় নেমেছে। বন্দরে পেঁয়াজের দাম কমায় আমাদের কিনতে যেমন সুবিধা হচ্ছে তেমনি মোকামে পাঠাতেও সুবিধা হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রেখেছিলেন বন্দরের আমদানিকারকরা। কিন্তু হঠাৎ করে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় দেশের বাজারে আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে করে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বাড়তি হতে শুরু করে। ভারতীয় পেঁয়াজের বাড়তি সেই চাহিদাকে ঘিরে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি কিছুটা বাড়িয়েছেন আমদানিকারকরা। এছাড়া ডলার সংকটের কারণে আগে ব্যাংকগুলো এলসি না দেয়ায় সকল আমদানিকারক পেঁয়াজ আমদানি করতে পারছিলেন না। বর্তমানে ব্যাংকগুলো এলসি দেয়া শুরু করেছে, এতে অনেক আমদানিকারক পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খুলেছেন। যার কারণে বন্দর দিয়ে পেয়াজের আমদানি বেড়েছে। দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রয়েছে তবে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ খানিকটা বেড়েছে। গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার যেখানে বন্দর দিয়ে ১২টি ট্রাকে ৩৩৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল বর্তমানে তা বেড়েছে। চলতি সপ্তাহের প্রথমদিন শনিবার বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ২১ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

নিউজ লাইট ৭১

 

Tag :

শেয়ার করুন

পেঁয়াজের দাম কমেছে

আপডেট টাইম : ০৩:০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২২

চাহিদার তুলনায় আমদানি বাড়ায় মাত্র দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৫ টাকা করে। দুই দিন আগে বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৭ থেকে ২৮টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ২২ থেকে ২৩টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকারসহ নিন্মআয়ের মানুষজনের মধ্যে।

হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, দেশীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় মোকামে আমদানিকৃত পেঁয়াজের চাহিদা কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। যার কারণে আমরা হিলি স্থলবন্দর থেকে পেঁয়াজ কিনে বিভিন্ন মোকামে পাঠাতাম। কিন্তু চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় গত সপ্তাহের শেষের দিকে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখি হতে শুরু করে। সপ্তাহের শুরুতে যে পেঁয়াজ ২২ টাকায় নেমে এসেছিল তা বাড়তে বাড়তে ২৮ টাকায় উঠে যায়। বাড়তি দামের কারণে পেঁয়াজ কিনতে যেমন পুঁজি বেশি লাগছিল তেমনি দাম উঠানামা করায় পেঁয়াজ কিনতেও ভয় পাচ্ছিলাম। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথমদিন থেকেই পেঁয়াজের দাম আবারও কমতে শুরু করেছে। দুই দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা করে কমেছে, ২৭ থেকে ২৮ টাকার পেঁয়াজ ২২/২৩ টাকায় নেমেছে। বন্দরে পেঁয়াজের দাম কমায় আমাদের কিনতে যেমন সুবিধা হচ্ছে তেমনি মোকামে পাঠাতেও সুবিধা হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রেখেছিলেন বন্দরের আমদানিকারকরা। কিন্তু হঠাৎ করে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় দেশের বাজারে আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে করে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বাড়তি হতে শুরু করে। ভারতীয় পেঁয়াজের বাড়তি সেই চাহিদাকে ঘিরে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি কিছুটা বাড়িয়েছেন আমদানিকারকরা। এছাড়া ডলার সংকটের কারণে আগে ব্যাংকগুলো এলসি না দেয়ায় সকল আমদানিকারক পেঁয়াজ আমদানি করতে পারছিলেন না। বর্তমানে ব্যাংকগুলো এলসি দেয়া শুরু করেছে, এতে অনেক আমদানিকারক পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খুলেছেন। যার কারণে বন্দর দিয়ে পেয়াজের আমদানি বেড়েছে। দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি অব্যাহত রয়েছে তবে পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ খানিকটা বেড়েছে। গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার যেখানে বন্দর দিয়ে ১২টি ট্রাকে ৩৩৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল বর্তমানে তা বেড়েছে। চলতি সপ্তাহের প্রথমদিন শনিবার বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ২১ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

নিউজ লাইট ৭১