শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু রাসেলও সেই কালরাতে রেহাই পায়নি

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৩:২৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২
  • / 20

ছবি: সংগৃহীত

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।

একাত্তরের পরাজিত শক্তি মুজিব ও তার আদর্শে এতটাই ভীত ছিল যে, কাপুরুষোচিত আক্রমণে ঘাতকের হাত থেকে রেহাই পাননি বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলও। ঘাতকের বুলেটে সেই রাতে জর্জরিত হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর বাকি দুই ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল এবং শেখ জামালও ।

বঙ্গবন্ধুর নিজের পছন্দের পুত্রবধূ সুলতানা কামাল দেশের একজন খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ এবং আরেক পুত্রবধূ রোজী জামালও শহীদ হয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের পায়ের সমস্যা নিয়েও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। তার মতো শান্ত ও বিচক্ষণ প্রগতিশীল মানুষকেও ঘাতকরা হত্যা করেছে ওই রাতে।

বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তার জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্নেল জামিল, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও ধানমন্ডির বাড়িতেই হত্যা করা হয়।বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় বেন্টু খানকে হত্যা করে ঘাতকরা।

ঘাতকদের টার্গেট ছিল তারা বঙ্গবন্ধুসহ তার পুরো পরিবার ও নিকটাত্মীয় কাউকেই পৃথিবীতে জীবিত রাখবে না। সেই অনুযায়ী সেদিন ঘাতকরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে হত্যার এক জঘন্য উল্লাসে মেতে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে প্রাণে বেঁচে যান।

নিউজ লাইট ৭১

 

facebook sharing button
twitter sharing button
messenger sharing button
sharethis sharing button

 

Tag :

শেয়ার করুন

শিশু রাসেলও সেই কালরাতে রেহাই পায়নি

আপডেট টাইম : ০৩:২৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে।

একাত্তরের পরাজিত শক্তি মুজিব ও তার আদর্শে এতটাই ভীত ছিল যে, কাপুরুষোচিত আক্রমণে ঘাতকের হাত থেকে রেহাই পাননি বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলও। ঘাতকের বুলেটে সেই রাতে জর্জরিত হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর বাকি দুই ছেলে মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল এবং শেখ জামালও ।

বঙ্গবন্ধুর নিজের পছন্দের পুত্রবধূ সুলতানা কামাল দেশের একজন খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ এবং আরেক পুত্রবধূ রোজী জামালও শহীদ হয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের পায়ের সমস্যা নিয়েও মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। তার মতো শান্ত ও বিচক্ষণ প্রগতিশীল মানুষকেও ঘাতকরা হত্যা করেছে ওই রাতে।

বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তার জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্নেল জামিল, সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও ধানমন্ডির বাড়িতেই হত্যা করা হয়।বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মণির বাসায় হামলা চালিয়ে শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত ও তার কন্যা বেবী, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় বেন্টু খানকে হত্যা করে ঘাতকরা।

ঘাতকদের টার্গেট ছিল তারা বঙ্গবন্ধুসহ তার পুরো পরিবার ও নিকটাত্মীয় কাউকেই পৃথিবীতে জীবিত রাখবে না। সেই অনুযায়ী সেদিন ঘাতকরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে হত্যার এক জঘন্য উল্লাসে মেতে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা তখন পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করার কারণে প্রাণে বেঁচে যান।

নিউজ লাইট ৭১

 

facebook sharing button
twitter sharing button
messenger sharing button
sharethis sharing button