মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাথাপিছু আয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০১:০৭:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১
  • / 129

৭১: মাথাপিছু আয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ। সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাবে, ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলার হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা বছরে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা। অন্যদিকে সবশেষ হিসাবে ভারতের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯৪৭ ডলার। বাংলাদেশির মুদ্রায় যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৭০ টাকা, যা বাংলাদেশের চেয়ে ২৮০ ডলার কম।

ফলে ভারতের একজন নাগরিকের চেয়ে বাংলাদেশের একজন নাগরিক বছরে ২৩ হাজার ৭৫৩ টাকা বেশি আয় করেন।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. জায়েদ বখত গণমাধ্যমকে ​বলেন, দুটি কারণে দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। একটি কারণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। আরেকটি হচ্ছে ডলারের মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে, তাই ডলারের হিসাবে জাতীয় আয় বেড়েছে।

ভারতের একটি আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক অর্থনীতিবিদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলাদেশের শ্রমঘন রপ্তানি খাত রয়েছে। যদিও রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে পারবে না। করোনার প্রভাব কমে এলেই ভারতের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অনেক বাড়বে। ভারতের অর্থনীতিতে কিছু অনর্থক নীতি থাকলেও সমস্যা কেটে যাবে বলে আশা করেন তিনি।

Tag :

শেয়ার করুন

মাথাপিছু আয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ০১:০৭:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মে ২০২১

৭১: মাথাপিছু আয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ। সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাবে, ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলার হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা বছরে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা। অন্যদিকে সবশেষ হিসাবে ভারতের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯৪৭ ডলার। বাংলাদেশির মুদ্রায় যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৭০ টাকা, যা বাংলাদেশের চেয়ে ২৮০ ডলার কম।

ফলে ভারতের একজন নাগরিকের চেয়ে বাংলাদেশের একজন নাগরিক বছরে ২৩ হাজার ৭৫৩ টাকা বেশি আয় করেন।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. জায়েদ বখত গণমাধ্যমকে ​বলেন, দুটি কারণে দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। একটি কারণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। আরেকটি হচ্ছে ডলারের মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে, তাই ডলারের হিসাবে জাতীয় আয় বেড়েছে।

ভারতের একটি আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক অর্থনীতিবিদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলাদেশের শ্রমঘন রপ্তানি খাত রয়েছে। যদিও রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে পারবে না। করোনার প্রভাব কমে এলেই ভারতের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অনেক বাড়বে। ভারতের অর্থনীতিতে কিছু অনর্থক নীতি থাকলেও সমস্যা কেটে যাবে বলে আশা করেন তিনি।