মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌসুমী-সানীর ছেলের রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে শিশা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মে ২০২১
  • / 120

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি মৌসুমী-ওমর সানির একমাত্র ছেলে ফারদীন এহসান স্বাধীনের রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে শিশা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (১৮মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান ১ ও ২ নম্বর সেকশনের মাঝামাঝি আরএম সেন্টার ভবনে ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ নামের ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় পুলিশ।  ওই রেস্তোঁরাটির তিনজন মালিকের মধ্যে একজন ফারদিন। 

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গুলশান থানার ওসি আবুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ‘রেস্তোরাঁটি থেকে দুই প্যাকেট ও আরও কিছু খোলা সীসার উপকরণ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে ৬ জন আটক করেছি আমার।’

এ বিষয়ে ওমর সানি দাবি করেন, শিশা বার চালানো অবৈধ বলে তার জানা নেই। আর যাদের পুলিশ নিয়ে গেছে, তারা রেস্তোরাঁকর্মী। 

তিনি বলেন, ‘‘মন্টানা লাউঞ্জ’ আমাদের। সাত থেকে আট মাস ধরে এটি চলছে। শিশার বিজনেস ইলিগ্যাল কোনো বিজনেস না। গুলশান-বনানীতে এটি ছাড়াও ৩০টির বেশি লাউঞ্জ রয়েছে।’

একসময়ের জনপ্রিয় এই নায়কের দাবি, তার রেস্তোরাঁ মূলত খা
বারের। ‘কিছু সময়’ শিশা ‘সার্ভ’ করা হয়। তিনি বলেন, আমি আইনের সাথেই শতভাগ আছি। আমার প্রশ্ন গুলশানে কি শুধু একটাই লাউঞ্জ আছে? নামকরা শিশা লাউঞ্জগুলো পাঁচ-সাত বছর ধরে চলছে। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে দুই থেকে তিনশ লাউঞ্জ আছে।পুরো বাংলাদেশে আজকের মধ্যেই যদি সব লাউঞ্জ ক্লোজ হয়ে থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু পার্টিকুলারলি আমাকে টার্গেট করে যদি করা হয়ে (অভিযান) থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের কাছে বিচার চাইবো।’

এদিকে গুলশান থানার ওসি বলেন,যেহেতু মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শিশা নিষিদ্ধ, তাই প্রাথমিক যাচাইয়ের পর এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

এর আগে এই লাউঞ্জ ছিলো উত্তরায়। এরপর করোনার কারণে লস হওয়ায় পরবর্তীতে তা গুলশানে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

মৌসুমী-সানীর ছেলের রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে শিশা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৫:৪১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মে ২০২১

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি মৌসুমী-ওমর সানির একমাত্র ছেলে ফারদীন এহসান স্বাধীনের রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে শিশা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (১৮মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান ১ ও ২ নম্বর সেকশনের মাঝামাঝি আরএম সেন্টার ভবনে ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ নামের ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় পুলিশ।  ওই রেস্তোঁরাটির তিনজন মালিকের মধ্যে একজন ফারদিন। 

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গুলশান থানার ওসি আবুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ‘রেস্তোরাঁটি থেকে দুই প্যাকেট ও আরও কিছু খোলা সীসার উপকরণ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে ৬ জন আটক করেছি আমার।’

এ বিষয়ে ওমর সানি দাবি করেন, শিশা বার চালানো অবৈধ বলে তার জানা নেই। আর যাদের পুলিশ নিয়ে গেছে, তারা রেস্তোরাঁকর্মী। 

তিনি বলেন, ‘‘মন্টানা লাউঞ্জ’ আমাদের। সাত থেকে আট মাস ধরে এটি চলছে। শিশার বিজনেস ইলিগ্যাল কোনো বিজনেস না। গুলশান-বনানীতে এটি ছাড়াও ৩০টির বেশি লাউঞ্জ রয়েছে।’

একসময়ের জনপ্রিয় এই নায়কের দাবি, তার রেস্তোরাঁ মূলত খা
বারের। ‘কিছু সময়’ শিশা ‘সার্ভ’ করা হয়। তিনি বলেন, আমি আইনের সাথেই শতভাগ আছি। আমার প্রশ্ন গুলশানে কি শুধু একটাই লাউঞ্জ আছে? নামকরা শিশা লাউঞ্জগুলো পাঁচ-সাত বছর ধরে চলছে। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে দুই থেকে তিনশ লাউঞ্জ আছে।পুরো বাংলাদেশে আজকের মধ্যেই যদি সব লাউঞ্জ ক্লোজ হয়ে থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু পার্টিকুলারলি আমাকে টার্গেট করে যদি করা হয়ে (অভিযান) থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের কাছে বিচার চাইবো।’

এদিকে গুলশান থানার ওসি বলেন,যেহেতু মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শিশা নিষিদ্ধ, তাই প্রাথমিক যাচাইয়ের পর এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

এর আগে এই লাউঞ্জ ছিলো উত্তরায়। এরপর করোনার কারণে লস হওয়ায় পরবর্তীতে তা গুলশানে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউজ লাইট ৭১