বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরের সর্বত্র তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১
  • / 112

দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো দিনাজপুরের সর্বত্র তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতে জেলার জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কর্মজীবি ও দিন মুজুর মানুষকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে অনেকেই ঘরের বাহিরে কাজে যেতে পারছে না। গত কয়েক দিনে সূর্যের আলো দেখা যায়নি। দিন ও রাতে বইছে শীতল বাতাস। এতে করে দুর্বল হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। রাতে ভারী কুয়াশার কারণে শীত আরো তীব্র হচ্ছে। রাস্তাঘাটে যানবাহনে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে ও বাড়ছে দুর্ঘটনা।

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় প্রচন্ড শীতের কারণে পুরাতন কাপড়ের দোকানে নিম্ন আয়ের মানুষ ভীড় জমাচ্ছে। এ সুযোগে দোকানীরা সুযোগ বুঝে বেশি দাম শীত বস্ত্র বিক্রি করছে। নিরূপায় হয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ পুরাতন কাপড় কিনে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। এছাড়া অসহায়-দুঃস্থ মানুষরা মাঠে শৈত্য প্রবাহের কারণে কাজ করতে যেতে পারছে না। ফলে শীত নিবারনের শীত বস্ত্র ক্রয় করার পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় খড় জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে। 

অন্যদিকে দিকে গবাদি পশু নিয়েও বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছে কৃষিজীবি মানুষ। গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় একদিকে কৃষকরা গো-খাদ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে, অপরদিকে প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহের কারণে গবাদি পশু ঘর থেকে মাঠে বের করতে পারছে না। প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকলে দুঃস্থ ও দরিদ্র নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে শীত নিবারণের জন্য অনতিবিলম্বে সরকারি ভাবে কম্বল সহ শীতবস্ত্র বিতরণের জরুরী প্রয়োজন। 

এ রিপোট লেখা পর্যন্ত সরকারি ও বে-সরকারি ভাবে জেলায় পঞ্চাশ হাজারো বেশি শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল আলম সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, শৈত্য প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে দিনাজপুরে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

 নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

দিনাজপুরের সর্বত্র তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১

দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো দিনাজপুরের সর্বত্র তীব্র শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতে জেলার জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কর্মজীবি ও দিন মুজুর মানুষকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে অনেকেই ঘরের বাহিরে কাজে যেতে পারছে না। গত কয়েক দিনে সূর্যের আলো দেখা যায়নি। দিন ও রাতে বইছে শীতল বাতাস। এতে করে দুর্বল হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। রাতে ভারী কুয়াশার কারণে শীত আরো তীব্র হচ্ছে। রাস্তাঘাটে যানবাহনে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে ও বাড়ছে দুর্ঘটনা।

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় প্রচন্ড শীতের কারণে পুরাতন কাপড়ের দোকানে নিম্ন আয়ের মানুষ ভীড় জমাচ্ছে। এ সুযোগে দোকানীরা সুযোগ বুঝে বেশি দাম শীত বস্ত্র বিক্রি করছে। নিরূপায় হয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ পুরাতন কাপড় কিনে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। এছাড়া অসহায়-দুঃস্থ মানুষরা মাঠে শৈত্য প্রবাহের কারণে কাজ করতে যেতে পারছে না। ফলে শীত নিবারনের শীত বস্ত্র ক্রয় করার পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় খড় জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে। 

অন্যদিকে দিকে গবাদি পশু নিয়েও বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছে কৃষিজীবি মানুষ। গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় একদিকে কৃষকরা গো-খাদ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে, অপরদিকে প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহের কারণে গবাদি পশু ঘর থেকে মাঠে বের করতে পারছে না। প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকলে দুঃস্থ ও দরিদ্র নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে শীত নিবারণের জন্য অনতিবিলম্বে সরকারি ভাবে কম্বল সহ শীতবস্ত্র বিতরণের জরুরী প্রয়োজন। 

এ রিপোট লেখা পর্যন্ত সরকারি ও বে-সরকারি ভাবে জেলায় পঞ্চাশ হাজারো বেশি শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল আলম সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, শৈত্য প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে দিনাজপুরে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

 নিউজ লাইট ৭১