বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী ২০২১
  • / 151

বেড়ানোর কথা বলে কুয়াকাটা নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে সঙ্গীদের নিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেছেন রনি প্যাদা (২৪) নামে এক যুবক। এ ঘটনায় ১১ জানুয়ারী, সোমবার রাতে মহিপুর থানায় মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী। এরপর রাতেই পুলিশ মামলার আসামি রনি প্যাদা, মাইনুল ইসলাম (২০) ও হোটেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। ইতোমধ্যে তাদের আদালতেও সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১০ থেকে ১৫ দিন আগে দশমিনা উপজেলার রনির সঙ্গে তালতলী উপজেলার ওই তরুণীর ফোনে পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে গত ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই তরুণীকে নানা প্রলোভনে কুয়াকাটায় বেড়াতে নিয়ে আসেন রনি। সিলভার ক্রাউন নামে একটি আবাসিক হোটেলে নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ২০৬ নম্বর রুম ভাড়া নেন। ওই রুমে তরুণীকে আটকে রেখে প্রথমে রনি এরপর দশমিনা থেকে তার সঙ্গে আসা মাইনুল ইসলাম ধর্ষণ করেন। আর এতে সহযোগিতা করেন হোটেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম।

মহিপুর থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান নিউজ লাইট ৭১ কে বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।facebook sharing button 

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

প্রেমিকাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী ২০২১

বেড়ানোর কথা বলে কুয়াকাটা নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে সঙ্গীদের নিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেছেন রনি প্যাদা (২৪) নামে এক যুবক। এ ঘটনায় ১১ জানুয়ারী, সোমবার রাতে মহিপুর থানায় মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী। এরপর রাতেই পুলিশ মামলার আসামি রনি প্যাদা, মাইনুল ইসলাম (২০) ও হোটেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। ইতোমধ্যে তাদের আদালতেও সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১০ থেকে ১৫ দিন আগে দশমিনা উপজেলার রনির সঙ্গে তালতলী উপজেলার ওই তরুণীর ফোনে পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে গত ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই তরুণীকে নানা প্রলোভনে কুয়াকাটায় বেড়াতে নিয়ে আসেন রনি। সিলভার ক্রাউন নামে একটি আবাসিক হোটেলে নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ২০৬ নম্বর রুম ভাড়া নেন। ওই রুমে তরুণীকে আটকে রেখে প্রথমে রনি এরপর দশমিনা থেকে তার সঙ্গে আসা মাইনুল ইসলাম ধর্ষণ করেন। আর এতে সহযোগিতা করেন হোটেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম।

মহিপুর থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান নিউজ লাইট ৭১ কে বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।facebook sharing button 

নিউজ লাইট ৭১