মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০
  • / 105

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন। সকালে রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।

করোনাভাইরাসের অতিমারির ফলে পর্তুগাল সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত পরিসরে দূতাবাস প্রাঙ্গণে এ বছরের বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিজয় দিবস উদযাপনের দ্বিতীয় পর্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারবর্গ অংশগ্রহণ করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এ সময় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বাণী পাঠ শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় দিবসের তাৎপর্যবাহী ভিডিও ক্লিপ প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালিদের জীবনে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

আপডেট টাইম : ০৪:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২০

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন। সকালে রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন।

করোনাভাইরাসের অতিমারির ফলে পর্তুগাল সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত পরিসরে দূতাবাস প্রাঙ্গণে এ বছরের বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিজয় দিবস উদযাপনের দ্বিতীয় পর্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারবর্গ অংশগ্রহণ করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এ সময় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বাণী পাঠ শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয় দিবসের তাৎপর্যবাহী ভিডিও ক্লিপ প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালিদের জীবনে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরেন।

নিউজ লাইট ৭১