বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদীর জায়গা দখল করে তৈরি করা স্থাপনা নিজেই গুড়িয়ে ফেললেন

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০
  • / 116

পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর জায়গা দখল করে তৈরি করা স্থাপনা নিজেই গুড়িয়ে ফেললেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মো. সেলিম।

ওই স্থাপনায় মদিনা পানির ট্যাংকের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দীর্ঘ দিন নদীর জায়গা দখল করে রেখেছিলেন তিনি। 

রোববার (৬ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে স্থাপনাটি ভেঙে ফেলেন হাজী সেলিম।

এদিকে পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার এই এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কথা রয়েছে।

জানা যায়, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বিআইডব্লিউটিএর সোয়ারীঘাট ল্যান্ডিং স্টেশনের পশ্চিম পাশে থাকা হাজী সেলিমের ওই স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।‌ স্থাপনাটি ভেঙে ফেলার পর তার ভেতর নদীর সীমানা চিহ্নিত করতে বসানো সীমানা পিলার দৃশ্যমান হয়েছে।

ওই স্থাপনার সামনে বসা এক নিরাপত্তাকর্মী বলেন, কয়েক দিন আগে তারা নিজেরাই নদীর জায়গায় গড়ে তোলা স্থাপনা ভেঙেছেন। সংসদ সদস্যের এখন খারাপ সময় যাচ্ছে, তাই তিনি ঝামেলা করতে চাচ্ছেন না।

সেখানকার নিরাপত্তাকর্মীরা আরও জানান, অস্থায়ীভাবে তৈরি করা এই স্থাপনার চারপাশে মদিনা পানির পাম্পের বিজ্ঞাপন লাগানো হলেও এটি গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হতো।  

হাজী সেলিমের অস্থায়ী এই স্থাপনা ছাড়াও আশপাশের এলাকায় অনেক দখলদারকে নদীর জায়গায় গড়ে তোলা স্থাপনা ভেঙে ফেলতে দেখা গেছে। 

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

নদীর জায়গা দখল করে তৈরি করা স্থাপনা নিজেই গুড়িয়ে ফেললেন

আপডেট টাইম : ০৫:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০

পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর জায়গা দখল করে তৈরি করা স্থাপনা নিজেই গুড়িয়ে ফেললেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মো. সেলিম।

ওই স্থাপনায় মদিনা পানির ট্যাংকের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দীর্ঘ দিন নদীর জায়গা দখল করে রেখেছিলেন তিনি। 

রোববার (৬ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে স্থাপনাটি ভেঙে ফেলেন হাজী সেলিম।

এদিকে পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোববার এই এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কথা রয়েছে।

জানা যায়, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বিআইডব্লিউটিএর সোয়ারীঘাট ল্যান্ডিং স্টেশনের পশ্চিম পাশে থাকা হাজী সেলিমের ওই স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।‌ স্থাপনাটি ভেঙে ফেলার পর তার ভেতর নদীর সীমানা চিহ্নিত করতে বসানো সীমানা পিলার দৃশ্যমান হয়েছে।

ওই স্থাপনার সামনে বসা এক নিরাপত্তাকর্মী বলেন, কয়েক দিন আগে তারা নিজেরাই নদীর জায়গায় গড়ে তোলা স্থাপনা ভেঙেছেন। সংসদ সদস্যের এখন খারাপ সময় যাচ্ছে, তাই তিনি ঝামেলা করতে চাচ্ছেন না।

সেখানকার নিরাপত্তাকর্মীরা আরও জানান, অস্থায়ীভাবে তৈরি করা এই স্থাপনার চারপাশে মদিনা পানির পাম্পের বিজ্ঞাপন লাগানো হলেও এটি গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হতো।  

হাজী সেলিমের অস্থায়ী এই স্থাপনা ছাড়াও আশপাশের এলাকায় অনেক দখলদারকে নদীর জায়গায় গড়ে তোলা স্থাপনা ভেঙে ফেলতে দেখা গেছে। 

নিউজ লাইট ৭১