শীতের মোকাবিলা করতে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত
- আপডেট টাইম : ০৬:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০
- / 127
গত কয়েকদিন রাত শেষে ভোরে আলো ফুটলেও কুঁয়াশাচ্ছন্ন হয়ে থাকে চারপাঁশ। গ্রামগুলোতে শীত যেন বেশ ঝুকে বসেছে।বিশেষ করে মধ্য রাত থেকে ভোরের পর রোদ উঠা আগ পর্যন্ত বেশ কনকনে শীত অনুভূতি হচ্ছে।আর শীতের মোকাবিলা করতে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ফরিদপুরের স্থানীয় কারিগররা।
রীতি অনুযায়ী কার্তিক মাসে শীতের জন্ম হলেও পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস শীত মৌসুম হিসাবে বিবেচিত হয়।ফরিদপুরের বাসিন্দারা শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি হিসাবে হিড়িক পরে গেছে লেপ-তোষক বানানোর দোকানে।অনেক পরিবারের লোকজন তাদের বাস্ক কিংবা বস্তায় বন্দী লেপ-তোষক বের করে করছে মেরামত।
কারিগররা জানান,কিছুদিন পরে ক্রেতাদের ভিড় আরো বাড়বে।ক্রেতাদের এই আনাগোনা চলবে পুরো শীত জুড়ে।
এদিকে ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানগুলোতে শীতের পুরাতন কাপড় বিক্রি করতে দেখা গেছে।যাদের লেপ-তোষক কেনা বা বানানোর টাকা নেই তারা ভিড় জমাচ্ছে ওইসব দোকানে।সেখানে দেড়শ থেকে দুইশ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ভালো মানের পুরানো কাপড়।কেউ আবার অল্প টাকায় পাতলা কম্বলও ক্রয় করছেন।
সরেজমিনে শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, লেপ-তোষকের দোকানের সবকটিতেই ছিল কারিগরদের লেপ বানানোর ব্যস্ততা।দোকানিরাও অর্ডার গ্রহণ এবং ক্রেতাদের বিভিন্ন রঙ-বেরঙের কাপড় ও তুলা দেখাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।একই দৃশ্য চোখে পড়ে ফরিদপুর জেলার নয়টি উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোতেও।
ফরিদপুর শহরের লেপ-তোষক ব্যবসায়ী মালেক মিয়া বলেন,তুলার মান ও পরিমাণের ওপর নির্ভর করে লেপ-তোষক তৈরির খরচ।এ বছর জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই লেপ-তোষক তৈরিতে খরচ দুইশ থেকে তিনশ টাকা বেড়ে গেছে।আর একটি লেপ/তোষক বিক্রি করে তাদের দুইশ থেকে পাঁচশ টাকা লাভ হয়।
নিউজ লাইট ৭১


















