অসহায় বৃদ্ব নোমান আলীর ভাগ্যে জুটেনি বর্তমান সরকারের গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের ঘর
- আপডেট টাইম : ০৬:১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০
- / 119
বর্তমান সরকার জমি আছে ঘর নাই এমন অসহায় লোকদের গৃহ নির্মাণ করে দিলেও ময়মনসিংহের ত্রিশালে অসহায় বৃদ্ব নোমান আলীর (৮২) ভাগ্যে জুটেনি বর্তমান সরকারের গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের ঘর।
ঘর হারা নোমান আলীর এই দুর্বিষ্যহ কষ্টের খবর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নজরেও আসেনি। উপজেলার সদর ইউনিয়নের সতের পাড়া গ্রামের মৃত আক্তার আলী মন্ডলের ছেলে অসহায় বৃদ্ব নোমান আলী ত্রিশ বছর যাবৎ খড়কুটা ঘর যা পুরাতন কাপড় পাতা দিয়ে বেষ্টন করে রেখেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভাঙ্গা ঘর, ঘরের বেড়া নেই পড়নের ছেড়া কাপড় দিয়ে রোদ ফিরানোর চেষ্টা করছে। ঘরের ভিতর শুয়ার জন্য একটি বাঁশের মাচা করে বৃদ্ব স্ত্রী সুফিয়া খাতুনকে নিয়ে কোনো রকম রাত কাটাচ্ছে। রান্না করার জন্য নেই আলাদা কোনো ঘর। ঘরের ভিতরেই চলে রান্নার কাজ। বৃষ্টি হলেই তাদের দুইজনকে বৃষ্টির পানিতে ভিজতে হয় অবিরাম।
নোমানের স্ত্রী সুফিয়া জানান, শীতের মধ্যে প্রতি বছর খুব কষ্ট করতে হয়। শীতের মধ্যে এত কম্বল সরকার দেয় আমাদের কপালে একটাও কম্বল জোটেনি।
বৃদ্ব কর্মহীন নোমানের দুই ছেলে তারাও ঢাকায় হাড়ভাঙ্গা খাটনী খেটে দিন মজুর কাজ করে কোন রকম সংসার চালায়।
নোমানের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন বলেন, ছেলেদের সংসারই চলে না আমাদের কী দিবো।
নোমানের এ দৃশ্য দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ভাইরাল হলে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা ছুটে যান বৃদ্ধ নোমানের ত্রিশ বছরের কষ্টের কথা শুনতে।
গণমাধ্যম কর্মীদের দেখে বৃদ্ধ নোমান এবং তার স্ত্রী সুফিয়ার একটাই দাবি, সরকার যদি একটা থাহার ঘর কইরা দিত তাইলে মরার আগে শান্তি পাইতাম, বলে সুফিয়া কেঁদে উঠে।
নোমান অভিযোগ করেন স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং মেম্বারদের নিকট একটা ঘরের লাইগ্যা গেলেও তারা আমার কোন কথা শুনেন না।
স্থানীয় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদ আমীন মাসুদ বলেন, বৃদ্ধ নোমানকে বয়স্ক ভাতা কার্ড দিয়েছি। সামনে ঘর নির্মাণের প্রকল্প আসলে অবশ্যই তাকে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে।
নিউজ লাইট ৭১


















