মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসআই আকবরকে (বরখাস্ত) ধরিয়ে দিতে সহায়তা করেন সাহসী ব্যক্তি রহিম উদ্দিন

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ নভেম্বর ২০২০
  • / 107

নিউজ লাইট ৭১ঃ সিলেটের পুলিশ ফাঁড়িতে অমানবিক নির্যাতনে রায়হান হত্যায় এসআই আকবরকে (বরখাস্ত) ধরিয়ে দিতে সহায়তা করেন সাহসী ব্যক্তি রহিম উদ্দিন। আর এর জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

এর আগে, গত সোমবার (৯ নভেম্বর) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে এ ঘোষণা দেন কানাডা প্রবাসী মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি মূলত বিশ্ব প্রবাসী শরীফগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক।

প্রবাসী জয়নাল আবেদীন বলেন, আকবরকে ধরতে সহায়তা করেন এক গরীব কৃষকের ছেলে রহিম উদ্দিন। এ কথা শুনে আমরা প্রবাস থেকে এমন সাহসী ছেলেকে পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছি। এটি দেখে যেন অন্যরাও ভালো কাজে উৎসাহিত হয়।

তারও আগে একই দিন সোমবার দুপুরে সিলেটের কানাইঘাটের দনা সীমান্ত এলাকা থেকে আকবরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাতে তাকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত চার পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর রাতে রায়হানকে নগরীর কাস্টঘর থেকে ধরে আনেন বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। পরদিন ভোরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এরপর রায়হানের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠে, ফাঁড়িতে নিয়ে রাতভর নির্যাতনের ফলে রায়হানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রাতে মামলা করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার। এরপর থেকেই এসআই আকবর পলাতক ছিলেন।

Tag :

শেয়ার করুন

এসআই আকবরকে (বরখাস্ত) ধরিয়ে দিতে সহায়তা করেন সাহসী ব্যক্তি রহিম উদ্দিন

আপডেট টাইম : ০৪:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ নভেম্বর ২০২০

নিউজ লাইট ৭১ঃ সিলেটের পুলিশ ফাঁড়িতে অমানবিক নির্যাতনে রায়হান হত্যায় এসআই আকবরকে (বরখাস্ত) ধরিয়ে দিতে সহায়তা করেন সাহসী ব্যক্তি রহিম উদ্দিন। আর এর জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

এর আগে, গত সোমবার (৯ নভেম্বর) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে এ ঘোষণা দেন কানাডা প্রবাসী মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি মূলত বিশ্ব প্রবাসী শরীফগঞ্জ উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক।

প্রবাসী জয়নাল আবেদীন বলেন, আকবরকে ধরতে সহায়তা করেন এক গরীব কৃষকের ছেলে রহিম উদ্দিন। এ কথা শুনে আমরা প্রবাস থেকে এমন সাহসী ছেলেকে পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছি। এটি দেখে যেন অন্যরাও ভালো কাজে উৎসাহিত হয়।

তারও আগে একই দিন সোমবার দুপুরে সিলেটের কানাইঘাটের দনা সীমান্ত এলাকা থেকে আকবরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাতে তাকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত চার পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর রাতে রায়হানকে নগরীর কাস্টঘর থেকে ধরে আনেন বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। পরদিন ভোরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এরপর রায়হানের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠে, ফাঁড়িতে নিয়ে রাতভর নির্যাতনের ফলে রায়হানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রাতে মামলা করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার। এরপর থেকেই এসআই আকবর পলাতক ছিলেন।