সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে জন জীবন বিপর্যস্ত

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৩:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০
  • / 135

৭১: ফেনীর ফুলগাজীতে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আকস্মিক এ বন্যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও পুকুর ভেসে যাওয়ায় এলাকার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। পানির নিচে তলিয়ে গেছে ফসলী জমি।

এলাকাবাসী সূত্র জানায়, গত শনিবার রাতে ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের উত্তর দৌলতপুর মোহাম্মদ উল্যাহর বাড়ির পাশ্ববর্তী মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। একইসাথে উত্তর দৌলতপুরে কহুয়া নদীর বাঁধে ফাটল ধরে। এতে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে উত্তর দৌলতপুর ও দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়া কৃষকের প্রায় কয়েক হাজার রোপা আমনের খেত পানিতে ডুবে গেছে। পানিতে ডুবে থাকা ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর ইসলাম এলাকার লোকজন নিয়ে ভাঙন স্থানের গর্ত মেরামতের চেষ্টা করছেন।

জানা গেছে, এর আগে গত জুলাই মাসে মুহুরী নদীর ৭-৮টি স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছিল। তখন ২০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছিল।

Tag :

শেয়ার করুন

মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে জন জীবন বিপর্যস্ত

আপডেট টাইম : ০৩:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০

৭১: ফেনীর ফুলগাজীতে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আকস্মিক এ বন্যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও পুকুর ভেসে যাওয়ায় এলাকার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। পানির নিচে তলিয়ে গেছে ফসলী জমি।

এলাকাবাসী সূত্র জানায়, গত শনিবার রাতে ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের উত্তর দৌলতপুর মোহাম্মদ উল্যাহর বাড়ির পাশ্ববর্তী মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। একইসাথে উত্তর দৌলতপুরে কহুয়া নদীর বাঁধে ফাটল ধরে। এতে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে উত্তর দৌলতপুর ও দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এছাড়া কৃষকের প্রায় কয়েক হাজার রোপা আমনের খেত পানিতে ডুবে গেছে। পানিতে ডুবে থাকা ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর ইসলাম এলাকার লোকজন নিয়ে ভাঙন স্থানের গর্ত মেরামতের চেষ্টা করছেন।

জানা গেছে, এর আগে গত জুলাই মাসে মুহুরী নদীর ৭-৮টি স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছিল। তখন ২০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছিল।