সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাল্যবিবাহ রুখে দিলো প্রশাসন।

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০
  • / 129

৭১: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৩ টায় উপজেলার নছরতপুর গ্রামে স্কুল ছাত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ ‘ অনুযায়ী বিয়ে বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম।

জানাযায়, উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের নছরতপুর গ্রামের আব্দুল হাইর পুত্র খোকন মিয়ার সাথে একই গ্রামের মো. সফিক মিয়ার স্কুল পড়ুয়া কন্যার বিয়ের দিন তারিখ ধার্য্য ছিল আজ। মেয়ের বিয়ের সকল আয়োজন শেষ করেছিলেন সফিক মিয়া। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিবাহের সংবাদ শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের লোকজন বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন।

মেয়ের বাবা সফিক মিয়া মুছলেকা দিয়ে জেল জরিমানা থেকে রক্ষা পেলেও মেয়ের প্রাপ্ত বয়স পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না মর্মে অঙ্গীকার করেন। মেয়েটি স্থানীয় নূরপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনর্চাজ অজয় চন্দ্র দেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদ্দাম হোসেনসহ শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম জানান, ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর না হলে বিয়ে দেয়া আইনগত অপরাধ। অপ্রাপ্ত বয়সের একটি মেয়ের বিয়ের খবর পেয়ে আমরা আইন অনুযায়ী বন্ধ করেছি।

Tag :

শেয়ার করুন

বাল্যবিবাহ রুখে দিলো প্রশাসন।

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০

৭১: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৩ টায় উপজেলার নছরতপুর গ্রামে স্কুল ছাত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ ‘ অনুযায়ী বিয়ে বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম।

জানাযায়, উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের নছরতপুর গ্রামের আব্দুল হাইর পুত্র খোকন মিয়ার সাথে একই গ্রামের মো. সফিক মিয়ার স্কুল পড়ুয়া কন্যার বিয়ের দিন তারিখ ধার্য্য ছিল আজ। মেয়ের বিয়ের সকল আয়োজন শেষ করেছিলেন সফিক মিয়া। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিবাহের সংবাদ শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের লোকজন বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন।

মেয়ের বাবা সফিক মিয়া মুছলেকা দিয়ে জেল জরিমানা থেকে রক্ষা পেলেও মেয়ের প্রাপ্ত বয়স পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না মর্মে অঙ্গীকার করেন। মেয়েটি স্থানীয় নূরপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনর্চাজ অজয় চন্দ্র দেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদ্দাম হোসেনসহ শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম জানান, ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর না হলে বিয়ে দেয়া আইনগত অপরাধ। অপ্রাপ্ত বয়সের একটি মেয়ের বিয়ের খবর পেয়ে আমরা আইন অনুযায়ী বন্ধ করেছি।