কুকুরের কামড়ে বছরের কতজন মানুষ আক্রান্ত হন
- আপডেট টাইম : ০৬:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০
- / 111
৭১: কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক হয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০১৯ সালে মারা গেছেন ৫৪ জন। ২০১৮ সালে মারা গেছেন ৫৭ জন। ২০১৭ সালে মারা গেছেন ৮০ জন এবং ২০১৬ সালে মারা গেছেন ৬৬ জন।
এই তথ্য মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও চট্টগ্রামের ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস- বিআইটিআইডি’ প্রতিষ্ঠানের।
কুকুরের কামড়ে বছরের কতজন মানুষ আক্রান্ত হন এবং কতজন মারা যান। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এমআইএস শাখার চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. এ বি মো. শামসুজ্জামান বলেন, সিডিসি থেকে শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানে মৃত্যুর তথ্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তারা অন্য কোনো তথ্য দেয়নি।
তাদের দেওয়া, দুই প্রতিষ্ঠানের ২০১৬ থেকে ২০১৯; এই চার বছরের মৃত্যু গড় হিসেবে দেখা যায় প্রতি বছর অন্তত ৬৫ জন মানুষ কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক হয়ে মারা যান। দুটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া সারাদেশের কোনো তথ্য সিডিসি থেকে দিতে পারেনি।
ডা. এ বি মো. শামসুজ্জামান বলেন, সরকারি হাসপাতালে জলাতঙ্কে টিকা সম্পুন্ন ফ্রি। বেসরকারি হাসপাতালের জন্য কোনো মূল্য নির্ধারণ করা আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল থেকে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া তথ্যে দেখা যায়। ২০১৩ সালে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ৪৫ হাজার ৩১৩ জন, ২০১৪ সালে ৫৮ হাজার ৯৫০ জন ও ২০১৫ নিয়েছে ৬৬ হাজার ২০৪ জন। এরপরের তথ্য পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুকুরের কামড়ে বা আচড়ের পর থেকে অন্তত সাত বছর পর্যন্ত জলাতঙ্ক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জলাতঙ্ক হলে মানুষ সাধারণত বাঁচে না। তাই কুকুরে কামড়ালে বা আঁচড় দিলে দ্রুত টিকা নেওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।
চিকিৎসকরা বলেন, জলাতঙ্কে আক্রান্ত ব্যক্তি বাঁচে না। তাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা লাগে। ইচ্ছা থাকলেও পানি খেতে পারে না। মুখ দিয়ে লালা ঝরে। জ্বর-খিঁচুনি হতে পারে, অস্বাভাবিক আচরণ করে, খিটখিটে মেজাজের হয়ে যায়। বাতাস সহ্য করতে পারে না। মৃত্যুর আগে আলো দেখলে ভয় পায়। ক্ষত স্থানে ব্যথা হয়, জ্বালাপোড়া করে। পা থেকে শুরু করে পুরো শরীর অবশ হয়ে যেতে পারে।






















