সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসায় ছাত্রকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 18

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর হাজারীবাগের এক মাদ্রাসায় এক ছাত্রকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে তার শিক্ষক ও এক কিশোরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পর এখন আর মামলা চালাতে চাচ্ছে না পরিবার।

অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পুলিশ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে। মামলাটি এখন অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।

কিন্তু শিশুটির বাবা এখন বলছেন, মাদ্রাসা শিক্ষক ওমর ফারুক তাদের কাছে কৃতকর্মের জন্য ‘ক্ষমা’ চেয়েছেন। তাই তারা ‘আপস’ এর মাধ্যমে আর মামলাটি চালাতে চাচ্ছেন না, যদিও ধর্ষণের মামলা আপসযোগ্য নয়।

হাজারীবাগের নীলাম্বর সাহা রোডের মারকাযুদ্দিন ইনস্টিটিউট মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ এনে গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষক ওমর ফারুক এবং প্রতিষ্ঠানটির আরেক কিশোর শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেন শিশুটির বাবা।

অভিযোগ তদন্ত করে গত ২৮ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে পৃথক দুটি প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা হাজারীবাগ থানার এসআই মাসুদ রানা।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগের ‘সত্যতা পাওয়ায়’ প্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র এবং ১৮ বছরের কম বয়সী এক কিশোর আসামির বিরুদ্ধে দোষীপত্র দাখিল করেছেন তিনি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ৯ বছরের শিশুটি হাজারীবাগের নীলাম্বর সাহা রোডের ওই মাদ্রাসায় অনাবাসিক ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করছিল। মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার পর থেকে শিক্ষক ওমর ফারুক বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জেনে ওমর ফারুকের অজান্তে ওই মাদ্রাসার ছাত্র আরেক কিশোরও একবার শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

মাদ্রাসায় ছাত্রকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০২:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর হাজারীবাগের এক মাদ্রাসায় এক ছাত্রকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে তার শিক্ষক ও এক কিশোরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পর এখন আর মামলা চালাতে চাচ্ছে না পরিবার।

অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পুলিশ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে। মামলাটি এখন অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।

কিন্তু শিশুটির বাবা এখন বলছেন, মাদ্রাসা শিক্ষক ওমর ফারুক তাদের কাছে কৃতকর্মের জন্য ‘ক্ষমা’ চেয়েছেন। তাই তারা ‘আপস’ এর মাধ্যমে আর মামলাটি চালাতে চাচ্ছেন না, যদিও ধর্ষণের মামলা আপসযোগ্য নয়।

হাজারীবাগের নীলাম্বর সাহা রোডের মারকাযুদ্দিন ইনস্টিটিউট মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রকে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ এনে গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষক ওমর ফারুক এবং প্রতিষ্ঠানটির আরেক কিশোর শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেন শিশুটির বাবা।

অভিযোগ তদন্ত করে গত ২৮ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে পৃথক দুটি প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা হাজারীবাগ থানার এসআই মাসুদ রানা।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগের ‘সত্যতা পাওয়ায়’ প্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র এবং ১৮ বছরের কম বয়সী এক কিশোর আসামির বিরুদ্ধে দোষীপত্র দাখিল করেছেন তিনি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ৯ বছরের শিশুটি হাজারীবাগের নীলাম্বর সাহা রোডের ওই মাদ্রাসায় অনাবাসিক ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করছিল। মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার পর থেকে শিক্ষক ওমর ফারুক বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জেনে ওমর ফারুকের অজান্তে ওই মাদ্রাসার ছাত্র আরেক কিশোরও একবার শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

নিউজ লাইট ৭১