সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলঢাকায় কমছে পাটের আবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 51

ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় দেশের অর্থকরী ফসল পাটের আবাদ দিন দিন কমছে। ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং উৎপাদন খরচের তুলনায় কম লাভের কারণে কৃষকরা তামাক, ভুট্টা ও ধানের মতো ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, এবার মাত্র ১০৫৭ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক কম। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে পাট বপনের সময় কৃষকরা অন্য ফসল বেছে নিচ্ছেন, কারণ এগুলো বেশি লাভজনক। পাটের দীর্ঘ মেয়াদি চাষ ও বেশি পরিচর্যার তুলনায় বাজারে এর দাম কম, বর্তমানে প্রতি মণ ৩০০০-৩২০০ টাকা, যা গত বছর ছিল ২০০০-২২০০ টাকা। তবে এক বিঘা জমিতে সর্বোচ্চ চার মণ ফলনেও উৎপাদন খরচ মেটানো কঠিন।

কৈমারী ইউনিয়নের কৃষক ছাদেকুল ইসলাম বলেন, “আগে চার-পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করতাম, এখন ধান ও তামাক চাষ করি। পাটে খরচ বেশি, কিন্তু দাম পাই না। তাছাড়া পানির সমস্যায় পাট নষ্ট হয়।” গোলমুন্ডার কৃষক মহরম আলী জানান, তিনি এখন শুধু পাটখড়ির জন্য এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করেন, বাকি জমিতে ভুট্টা চাষে বেশি লাভ পান।

উপজেলা কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, “পাট পচানোর জায়গার সংকট ও কম দামের কারণে পাটের আবাদ কমছে। এখানে মহারাষ্ট, বেঙ্গল ও বিজেআরআই জাতের পাট চাষ হয়।”

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

জলঢাকায় কমছে পাটের আবাদ

আপডেট টাইম : ০৪:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় দেশের অর্থকরী ফসল পাটের আবাদ দিন দিন কমছে। ন্যায্য মূল্য না পাওয়া এবং উৎপাদন খরচের তুলনায় কম লাভের কারণে কৃষকরা তামাক, ভুট্টা ও ধানের মতো ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, এবার মাত্র ১০৫৭ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক কম। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে পাট বপনের সময় কৃষকরা অন্য ফসল বেছে নিচ্ছেন, কারণ এগুলো বেশি লাভজনক। পাটের দীর্ঘ মেয়াদি চাষ ও বেশি পরিচর্যার তুলনায় বাজারে এর দাম কম, বর্তমানে প্রতি মণ ৩০০০-৩২০০ টাকা, যা গত বছর ছিল ২০০০-২২০০ টাকা। তবে এক বিঘা জমিতে সর্বোচ্চ চার মণ ফলনেও উৎপাদন খরচ মেটানো কঠিন।

কৈমারী ইউনিয়নের কৃষক ছাদেকুল ইসলাম বলেন, “আগে চার-পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করতাম, এখন ধান ও তামাক চাষ করি। পাটে খরচ বেশি, কিন্তু দাম পাই না। তাছাড়া পানির সমস্যায় পাট নষ্ট হয়।” গোলমুন্ডার কৃষক মহরম আলী জানান, তিনি এখন শুধু পাটখড়ির জন্য এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করেন, বাকি জমিতে ভুট্টা চাষে বেশি লাভ পান।

উপজেলা কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, “পাট পচানোর জায়গার সংকট ও কম দামের কারণে পাটের আবাদ কমছে। এখানে মহারাষ্ট, বেঙ্গল ও বিজেআরআই জাতের পাট চাষ হয়।”

নিউজ লাইট ৭১