সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজির সরবরাহ ভালো, মাছ-মুরগির দামও স্থিতিশীল

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০২:২২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • / 130

ছবি: সংগৃহীত

বর্ষা মৌসুমে রাজধানীর বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দামও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মাছ-মাংসের দামেও তেমন পরিবর্তন হয়নি। তবে চালের বাজারে কিছুটা অস্থিরতা থাকলেও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামে স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার (২৭ জুন) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও চিটাগং রোডসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে বাজারে প্রচুর সবজির সরবরাহ রয়েছে এবং দামও অনেকটাই স্বাভাবিক।

যাত্রাবাড়ীর সবজি বিক্রেতা গোলাম মাওলা বলেন, “৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বেশিরভাগ সবজি পাওয়া যাচ্ছে। তবে সপ্তাহের শুরুর দিকে দাম কিছুটা ওঠানামা করে।”

বাজার করতে আসা গৃহিণী মাহফুজা সিদ্দিকা বলেন, “সবজির দাম এখন সহনীয়। মাছ-মাংসের দামও আগের মতোই আছে। ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে আছে।”

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে আজ বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০–৭০ টাকা, টমেটো ৪০–৫০ টাকা, গাজর ৩০–৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, শসা ৩৫ টাকা, করলা ৬০–৭০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০–৫০ টাকা, কাঁকরোল ৬০–৭০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০–৬০ টাকা, ঝিঙা ৪৫–৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা ও কচুর লতি ৬০ টাকায়।

মাছের বাজারে দেশি ইলিশের দাম ৫০০ গ্রাম ১,১০০ টাকা, ৭০০–৮০০ গ্রাম ১,৭০০ টাকা ও এক কেজি ওজনের ইলিশ ২,০০০ টাকা কেজি। চাষের চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০–৮০০ টাকায় এবং নদীর চিংড়ি ১,০০০–১,২০০ টাকায়। শিং, টেংরা, শোল, পুঁটি ৫০০–৮০০ টাকা কেজি। রুই ও কাতলা ৩২০–৩৬০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০–২৪০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০–২৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারলে নিত্যপণ্যের দাম আরও সহনীয় রাখা সম্ভব।

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

সবজির সরবরাহ ভালো, মাছ-মুরগির দামও স্থিতিশীল

আপডেট টাইম : ০২:২২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

বর্ষা মৌসুমে রাজধানীর বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় দামও তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মাছ-মাংসের দামেও তেমন পরিবর্তন হয়নি। তবে চালের বাজারে কিছুটা অস্থিরতা থাকলেও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামে স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার (২৭ জুন) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সাইনবোর্ড ও চিটাগং রোডসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে বাজারে প্রচুর সবজির সরবরাহ রয়েছে এবং দামও অনেকটাই স্বাভাবিক।

যাত্রাবাড়ীর সবজি বিক্রেতা গোলাম মাওলা বলেন, “৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বেশিরভাগ সবজি পাওয়া যাচ্ছে। তবে সপ্তাহের শুরুর দিকে দাম কিছুটা ওঠানামা করে।”

বাজার করতে আসা গৃহিণী মাহফুজা সিদ্দিকা বলেন, “সবজির দাম এখন সহনীয়। মাছ-মাংসের দামও আগের মতোই আছে। ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে আছে।”

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে আজ বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০–৭০ টাকা, টমেটো ৪০–৫০ টাকা, গাজর ৩০–৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, শসা ৩৫ টাকা, করলা ৬০–৭০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০–৫০ টাকা, কাঁকরোল ৬০–৭০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০–৬০ টাকা, ঝিঙা ৪৫–৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা ও কচুর লতি ৬০ টাকায়।

মাছের বাজারে দেশি ইলিশের দাম ৫০০ গ্রাম ১,১০০ টাকা, ৭০০–৮০০ গ্রাম ১,৭০০ টাকা ও এক কেজি ওজনের ইলিশ ২,০০০ টাকা কেজি। চাষের চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০–৮০০ টাকায় এবং নদীর চিংড়ি ১,০০০–১,২০০ টাকায়। শিং, টেংরা, শোল, পুঁটি ৫০০–৮০০ টাকা কেজি। রুই ও কাতলা ৩২০–৩৬০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০–২৪০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০–২৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারলে নিত্যপণ্যের দাম আরও সহনীয় রাখা সম্ভব।

নিউজ লাইট ৭১