সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোরো ধানের বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকটে বিপাকে কৃষক

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৩:২০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 105

ছবি: সংগৃহীত

যশোরের অভয়নগরে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে হঠাৎ করে ঘন মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির আশঙ্কায় ধান কাটার জন্য শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা, কারণ বৃষ্টিতে পাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১২ হাজার ৭৩৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৪৬৩ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৬৪৩ হেক্টর জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু জমির ধান এখনও মাঠে রয়ে গেছে।

সোমবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা হলে, চলিশিয়া ইউনিয়নের একতারপুর গ্রামের কৃষক সোলাইমান রিপন বলেন, “চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। ফলন ভালো হলেও শ্রমিক সংকটে এখনও ধান কাটা শুরু করতে পারিনি। এখন বৃষ্টি হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়ব।”

সুন্দলী ইউনিয়নের ভাটবিলা গ্রামের কৃষক মিথুন হালদার বলেন, “প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের মধ্যেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটা শুরু করেছি। সরকারিভাবে মেশিন দিয়ে ধান কাটার ব্যবস্থা করার অনুরোধ করছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. লাভলী খাতুন বলেন, “এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের ফলে অধিকাংশ বিলে সেচ সুবিধা থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। এখনও বাকি জমির ধান কাটার কাজ চলছে। কৃষি অফিস যেকোনো সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।”

নিউজ লাইট ৭১

Tag :

শেয়ার করুন

বোরো ধানের বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকটে বিপাকে কৃষক

আপডেট টাইম : ০৩:২০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

যশোরের অভয়নগরে চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে হঠাৎ করে ঘন মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির আশঙ্কায় ধান কাটার জন্য শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা, কারণ বৃষ্টিতে পাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১২ হাজার ৭৩৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৪৬৩ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৬৪৩ হেক্টর জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু জমির ধান এখনও মাঠে রয়ে গেছে।

সোমবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা হলে, চলিশিয়া ইউনিয়নের একতারপুর গ্রামের কৃষক সোলাইমান রিপন বলেন, “চার বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। ফলন ভালো হলেও শ্রমিক সংকটে এখনও ধান কাটা শুরু করতে পারিনি। এখন বৃষ্টি হলে বড় ক্ষতির মুখে পড়ব।”

সুন্দলী ইউনিয়নের ভাটবিলা গ্রামের কৃষক মিথুন হালদার বলেন, “প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের মধ্যেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ধান কাটা শুরু করেছি। সরকারিভাবে মেশিন দিয়ে ধান কাটার ব্যবস্থা করার অনুরোধ করছি।”

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. লাভলী খাতুন বলেন, “এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের ফলে অধিকাংশ বিলে সেচ সুবিধা থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। এখনও বাকি জমির ধান কাটার কাজ চলছে। কৃষি অফিস যেকোনো সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।”

নিউজ লাইট ৭১