সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০
  • / 138

৭১: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে দুই দফা রিমান্ড শেষে সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনাকে হাজির করে পুলিশ। 

এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডা. সাবরিনাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। 

এ নিয়ে মোট পাঁচদিন রিমান্ডে ছিলেন সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। গত শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

এর আগেও সোমবার (১৩ জুলাই) তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

তারও আগে ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির জন্য ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এসময় পুলিশ জানতে পারে, জেকেজি হেলথ কেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে দিয়ে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়।

জব্দ করা ল্যাপটপেও এর প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া আরিফ চৌধুরীও জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, জেকেজির ৭ থেকে ৮ জন কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করতেন।

এদিকে ডা. সাবরিনাকে ১২ জুলাই (রোববার) গ্রেপ্তারের পর এদিন বিকেলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক অফিস আদেশে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এছাড়া ডা. সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।

Tag :

শেয়ার করুন

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

আপডেট টাইম : ০৪:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

৭১: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে দুই দফা রিমান্ড শেষে সোমবার (২০ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনাকে হাজির করে পুলিশ। 

এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডা. সাবরিনাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। 

এ নিয়ে মোট পাঁচদিন রিমান্ডে ছিলেন সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। গত শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

এর আগেও সোমবার (১৩ জুলাই) তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

তারও আগে ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির জন্য ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এসময় পুলিশ জানতে পারে, জেকেজি হেলথ কেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে দিয়ে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়।

জব্দ করা ল্যাপটপেও এর প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া আরিফ চৌধুরীও জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, জেকেজির ৭ থেকে ৮ জন কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করতেন।

এদিকে ডা. সাবরিনাকে ১২ জুলাই (রোববার) গ্রেপ্তারের পর এদিন বিকেলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক অফিস আদেশে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এছাড়া ডা. সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।